টানা বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে মৌলভীবাজারের হাওড় ও নিম্নাঞ্চলে নতুন করে জলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী জুড়ি নদীর পানি বিপৎসীমার ২৩৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় বোরো ধান নিয়ে উদ্বেগে পড়েছেন কৃষকরা।
পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে, জেলার অধিকাংশ নদীর পানি এখনও বিপৎসীমার নিচে থাকলেও জুড়ি নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। মনু, ধলাই ও কুশিয়ারা নদীর পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলেও কাওয়াদিঘি হাওড়সহ বিভিন্ন নিচু এলাকায় পানি জমে বিস্তীর্ণ ফসলি জমি প্লাবিত হয়েছে।
সদর উপজেলার একাটুনা ও আখাইকুড়া ইউনিয়নের কয়েকটি এলাকায় কাঁচা ও আধাপাকা বোরো ধান পানির নিচে তলিয়ে গেছে। স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, কাশেমপুর পাম্প হাউস থেকে পর্যাপ্ত পানি নিষ্কাশন না হওয়ায় জলাবদ্ধতা আরও তীব্র হয়েছে। বৈরী আবহাওয়ার কারণে ধান কাটতেও বিলম্ব হচ্ছে।
তবে পানি উন্নয়ন বোর্ড বলছে, ভারতের ত্রিপুরা অঞ্চলে বৃষ্টিপাত কমে আসায় নদ-নদীর পানি ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক নজরদারি চালিয়ে যাচ্ছেন।
এদিকে কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, হাওড়াঞ্চলের প্রায় ৯৫ শতাংশ বোরো ধান ইতোমধ্যে কাটা হয়েছে। অবশিষ্ট ধান দ্রুত ঘরে তোলার জন্য কৃষকদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।














