ডেস্ক রিপোর্ট:
বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মুনসুর বলেছেন, ‘‘দেশে এখনো চার মাস চলার মতো বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ রয়েছে। তাই পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের কিছু নেই। তবে সতর্ক থাকতে হবে।’’
আজ শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত ‘ব্র্যান্ডিং বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
ড. আহসান এইচ মুনসুর বলেন, ‘‘ভয়ের কিছু নেই। তবে আমাদের সাবধান থাকতে হবে। গত পাঁচ মাসে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে প্রায় তিন বিলিয়ন ডলার। একই সময়ে রপ্তানি আয়ও বেড়েছে প্রায় ২.৫ বিলিয়ন ডলার।’’
প্রবাসীদের সরাসরি ব্যাংকিং চ্যানেলের মাধ্যমে টাকা পাঠানোর অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘‘সম্প্রতি সৌদি আরবকে টপকে রেমিট্যান্স পাঠানোয় দুবাই শীর্ষে উঠে এসেছে। তবে এটি ভালো লক্ষণ নয়। কারণ অনেক প্রবাসী সৌদি আরব থেকে অর্থ প্রথমে দুবাই পাঠাচ্ছেন এবং পরে বাংলাদেশে পাঠাচ্ছেন।’’
তিনি আরও জানান, দুবাইয়ের কিছু প্রতিষ্ঠান এই সুযোগে মুদ্রা বিনিময় হারে কারসাজি করার চেষ্টা করছে, যা দেশের অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
দেশ থেকে আরও বেশি প্রশিক্ষিত কর্মী বিদেশে পাঠানোর ওপর গুরুত্বারোপ করে গভর্নর বলেন, ‘‘যদি আমরা দক্ষ কর্মী পাঠাতে পারি, তবে আগামী কয়েক বছরে রেমিট্যান্স বছরে ৬০ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করা সম্ভব। এটি কোনো কঠিন কাজ নয়।’’
বাংলাদেশ ব্যাংক সূত্রে জানা গেছে, এশিয়ান ক্লিয়ারিং ইউনিয়নের (আকু) বিল পরিশোধের পর দেশের বৈদেশিক মুদ্রার গ্রস রিজার্ভ দুই হাজার ৪৯০ কোটি ডলারে নেমে এসেছে।
এ ছাড়া আন্তর্জাতিক মানদণ্ড (বিপিএম-৬) অনুযায়ী রিজার্ভ বর্তমানে দুই হাজার কোটি ডলারে নেমে এসেছে। তবে গত ৮ জানুয়ারি গ্রস রিজার্ভ ছিল দুই হাজার ৬৫৭ কোটি ডলার এবং বিপিএম-৬ অনুযায়ী রিজার্ভের পরিমাণ ছিল দুই হাজার ১৬৭ কোটি ডলার।












