সিরাজগঞ্জে যমুনা নদীতে বালুবোঝাই বাল্কহেড ডুবে দুদিন ধরে নিখোঁজ রয়েছেন দুই শ্রমিক। ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা অভিযান চালিয়েও তাদের উদ্ধার করতে পারেনি।
সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সকালে রাজশাহী থেকে আসা ডুবুরি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তবে নদীর প্রবল স্রোতের কারণে উদ্ধার অভিযান শুরু করতে পারেনি।
এর আগে শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় যমুনার চর অধ্যুষিত কাওয়াকোলা ইউনিয়নের বড় কয়রা নামক স্থানে বালুবোঝাই বাল্কহেডটি ডুবে যায়।
নিখোঁজ ব্যক্তিরা হলেন- নোয়াখালী জেলার মাইজদী থানার আন্ডারচর গ্রামের লোকমান হোসেন মৃধার ছেলে মো. মোরশেদ (২৫) ও চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর থানার কাশিমনগর গ্রামের মোক্তার হোসেনের ছেলে মো. ফয়সাল (২১)।
ঘটনার সময় বাল্কহেডে থাকা দুজন সাঁতরে ওপরে উঠে আসেন। তারা হলেন- কিশোরগঞ্জের নিকলি উপজেলার ছাতির চর গ্রামের এজাজুল ইসলাম (২৬) ও নোয়াখালী জেলার মাইজদী থানার আন্ডার চর গ্রামের রাসেল হোসেন।
সিরাজগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস অ্যান্ড সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন অফিসার মো. শরীফুল ইসলাম বলেন, শনিবার সন্ধ্যায় চারজনকে বালুবোঝাই বাল্কহেডটি ডুবে যায়। বাল্কহেডের উপরিভাগে থাকা দুজন সাঁতরে তীরে চলে আসে। বাকি দুজন ইঞ্জিন মিস্ত্রি ইঞ্জিন রুমের ভেতরে ছিলেন। তারা সেখানে আটকা পড়েন। রোববার সকালে আমাদের জানালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। রোববার সন্ধ্যা পর্যন্ত অভিযান চালিয়েও তাদের সন্ধান পাওয়া যায়নি। আজ সকালে ডুবুরি দল এসেছে।
তিনি আরও বলেন, ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযান শুরু করবে। তবে নদীর প্রবল স্রোতের কারণে ডুবুরি নামতে পারছে না। এখন ভেতর থেকে ড্রেজার দিয়ে বালু ফেলে বাল্কহেডটি উদ্ধারের চেষ্টা করা হবে।










