আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে দেশে কোরবানির পশু নিয়ে কোনো ঘাটতির আশঙ্কা নেই বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ। তিনি বলেন, দেশে এক কোটিরও বেশি কোরবানিযোগ্য পশু প্রস্তুত রয়েছে এবং চাহিদার তুলনায় সরবরাহ বেশি থাকায় আমদানির প্রয়োজন হবে না।
রোববার সচিবালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী জানান, খামারিদের কাছে গরু, ছাগল, ভেড়া ও মহিষ মিলিয়ে পর্যাপ্ত পশু রয়েছে। অবৈধভাবে সীমান্ত দিয়ে পশু প্রবেশ ঠেকাতে কঠোর নজরদারি করা হচ্ছে এবং সীমান্তবর্তী হাট বন্ধের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, যাতে দেশীয় খামারিরা ক্ষতিগ্রস্ত না হন।
তিনি আরও বলেন, সারাদেশে তিন হাজার ৬০০টির বেশি কোরবানির হাট বসবে এবং এসব হাটে পশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ভেটেরিনারি টিম মোতায়েন থাকবে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে প্রশাসন ও নিরাপত্তা বাহিনী সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবে।
পশু পরিবহনে কোনো ধরনের হয়রানি বন্ধে কঠোর নজরদারির পাশাপাশি অনলাইনে পশু কেনাবেচায় কোনো খাজনা বা হাসিল আরোপ করা হবে না বলেও জানান তিনি। এছাড়া চামড়া সংরক্ষণে কসাইদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে, যাতে গুণগতমান বজায় থাকে।
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর দেশে কোরবানিযোগ্য পশুর সংখ্যা প্রায় ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজারের বেশি হতে পারে, যেখানে চাহিদা ধরা হয়েছে প্রায় ১ কোটি ১ লাখ। ফলে প্রায় ২২ লাখের বেশি পশু উদ্বৃত্ত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে।












