তাইওয়ান প্রণালীকে কেন্দ্র করে আবারও বাড়ছে সামরিক উত্তেজনা। একদিনে প্রায় ৩০টি চীনা যুদ্ধবিমান ও একাধিক নৌযানের উপস্থিতি শনাক্তের দাবি করেছে তাইওয়ান। একই সময়ে ফিলিপিন্সের উত্তরাঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্র ও ফিলিপিন্সের যৌথ সামরিক মহড়া শুরু হওয়ায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে।
তাইওয়ানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, শনিবার সকাল পর্যন্ত দ্বীপটির আশপাশে ২৯টি চীনা সামরিক বিমান, ৬টি নৌযান এবং ২টি সরকারি জাহাজ শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে অন্তত ১৫টি যুদ্ধবিমান তাইওয়ান প্রণালীর মধ্যরেখা অতিক্রম করে বিভিন্ন অঞ্চলের এয়ার ডিফেন্স আইডেন্টিফিকেশন জোনে প্রবেশ করে।
তাইওয়ান কর্তৃপক্ষ এ ঘটনাকে তাদের আকাশসীমায় অনুপ্রবেশ হিসেবে উল্লেখ করে নিন্দা জানিয়েছে। তবে চীন বরাবরই তাইওয়ানকে নিজেদের অংশ হিসেবে দাবি করে আসছে এবং এ ধরনের সামরিক তৎপরতাকে তাদের সার্বভৌম অধিকারের অংশ বলে মনে করে।
বিশ্লেষকদের মতে, চীনের ধারাবাহিক সামরিক উপস্থিতি তাইওয়ানের ওপর চাপ সৃষ্টি এবং প্রতিরক্ষা সক্ষমতা যাচাইয়ের কৌশল। একই সঙ্গে এ অঞ্চলে শক্তির ভারসাম্য নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও তীব্র হচ্ছে।
এদিকে, তাইওয়ানের নিকটবর্তী ফিলিপিন্সের বাতানেস দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্র ও ফিলিপিন্স যৌথ মহড়ায় অংশ নিয়েছে। সেখানে অত্যাধুনিক অ্যান্টি-শিপ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবস্থা মোতায়েন করা হয়েছে, যা দূরপাল্লার সমুদ্র লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানতে সক্ষম।
সামগ্রিক পরিস্থিতিতে এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নতুন করে সামরিক উত্তেজনা বাড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।












