পুনর্লিখিত সংবাদ (জাতীয় পত্রিকার ধাঁচে):
দেশে অতীতে হামের টিকা কার্যক্রমে অবহেলাকে ‘ক্ষমাহীন অপরাধ’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে স্বাস্থ্যসেবাকে মৌলিক অধিকার হিসেবে প্রতিষ্ঠা এবং খাতটিতে বড় ধরনের সংস্কারের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি।
শনিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিগত সরকারের গাফিলতির কারণে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব বেড়ে বহু শিশুর প্রাণহানি ঘটেছে। তবে বর্তমান সরকারের উদ্যোগে পরিস্থিতির উন্নতি হয়েছে এবং অনেক শিশুর জীবন রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে।
তিনি জানান, স্বাস্থ্যখাতকে আরও কার্যকর করতে জিডিপির ৫ শতাংশ পর্যন্ত বরাদ্দ বাড়ানোর লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি মাতৃ ও শিশুস্বাস্থ্যসেবা জোরদার এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে পূর্ণাঙ্গ সেবা কেন্দ্রে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।
স্বাস্থ্যব্যবস্থায় জনবল সংকট মোকাবিলায় এক লাখ নতুন স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগের পরিকল্পনার কথাও জানান সরকারপ্রধান। এদের মধ্যে বড় অংশ নারী থাকবে বলে উল্লেখ করেন তিনি।
দুর্নীতিমুক্ত ও জবাবদিহিমূলক স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে ‘ই-হেলথ কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, এতে রোগীদের ডিজিটাল তথ্য সংরক্ষণ ও দ্রুত সেবা নিশ্চিত করা যাবে।
এছাড়া উপজেলা পর্যায়ের স্বাস্থ্য কর্মকর্তাদের জন্য যানবাহন সুবিধা, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং প্রযুক্তিনির্ভর স্বাস্থ্যসেবা সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।
স্বাস্থ্যসেবাকে আরও উন্নত করতে যুক্তরাজ্যের এনএইচএস মডেল অনুসরণের কথাও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।
সম্মেলনে স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে দেশজুড়ে স্বাস্থ্যসেবা শক্তিশালী করতে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।












