ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চলমান সংঘাত থামাতে এবং সাময়িক যুদ্ধবিরতির মেয়াদ অনির্দিষ্টকালের জন্য বাড়াতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে পাকিস্তান। আন্তর্জাতিক বিভিন্ন গণমাধ্যমের বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, ইসলামাবাদের মধ্যস্থতায় দুই পক্ষকে আলোচনায় ধরে রাখা সম্ভব হয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ ও সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরের অনুরোধেই তিনি যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেন। নির্ধারিত সময় শেষ হওয়ার আগ মুহূর্তে পাকিস্তান ওয়াশিংটনকে জানায়, ইরানকে একটি সমন্বিত শান্তি প্রস্তাব তৈরির জন্য আরও সময় দেওয়া প্রয়োজন।
এর পরিপ্রেক্ষিতে ট্রাম্প সামরিক পদক্ষেপ থেকে সাময়িকভাবে সরে এসে যুদ্ধবিরতি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন। একই সঙ্গে তিনি ইরানের ওপর নৌ-অবরোধ চালু রাখার কথাও উল্লেখ করেন।
বিশ্লেষকদের মতে, পাকিস্তান কেবল বার্তাবাহকের ভূমিকায় সীমাবদ্ধ না থেকে উভয় পক্ষকে একটি যৌথ প্রস্তাবে পৌঁছাতে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে। জাতিসংঘ মহাসচিবও এই উদ্যোগকে ইতিবাচক হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
তবে পরিস্থিতি এখনও নাজুক। হরমুজ প্রণালিতে উত্তেজনা এবং মার্কিন অবরোধের কারণে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠা অনিশ্চিত রয়ে গেছে। আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে দুই পক্ষকে আবারও আলোচনায় বসানোর চেষ্টা করছে পাকিস্তান।














