পুনর্লিখিত সংবাদ (জাতীয় পত্রিকার ধাঁচে):
দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রূপপুরে চলতি মাসের শেষ দিকে জ্বালানি লোডিং কার্যক্রম শুরু হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। এর মাধ্যমে কেন্দ্রটির প্রথম ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রক্রিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হবে।
প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিনের কারিগরি ও নিরাপত্তা যাচাই শেষে এই পর্যায়ে পৌঁছেছে কেন্দ্রটি। বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষও জ্বালানি লোডিংয়ের অনুমোদন দিয়েছে।
তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বালানি লোডিং শুরু হলেও পূর্ণমাত্রায় বিদ্যুৎ উৎপাদনে যেতে আরও সময় লাগবে। আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী বিভিন্ন ধাপে পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন করতে অন্তত ছয় মাস থেকে এক বছর সময় প্রয়োজন হতে পারে।
এ সময়ের মধ্যে যন্ত্রপাতির কার্যকারিতা, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং গ্রিড সংযোগসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পর্যায়ক্রমে যাচাই করা হবে। প্রয়োজনীয় সনদ পেতে নিয়ন্ত্রক সংস্থার পর্যবেক্ষণও চলবে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র অত্যন্ত সংবেদনশীল হওয়ায় তৃতীয় পক্ষের মাধ্যমে কারিগরি ও নিরাপত্তা যাচাই করাও গুরুত্বপূর্ণ। এতে ভবিষ্যৎ ঝুঁকি কমানো সম্ভব হবে।
দীর্ঘসূত্রতার কারণে প্রকল্পটির ব্যয় বাড়লেও দ্রুত চালুর ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা। রূপপুরের দুটি ইউনিট চালু হলে মোট ২ হাজার ৪০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হবে, যা দেশের বিদ্যুৎ খাতে নতুন মাত্রা যোগ করবে।












