মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাতে গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালি নিয়ে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। প্রণালিটি দিয়ে জাহাজ চলাচলের নিরাপত্তা দিতে মার্কিন নৌবাহিনী প্রস্তুত বলে জানিয়েছে ওয়াশিংটন। তবে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) সতর্ক করে বলেছে, সেখানে তারা মার্কিন বাহিনীর জন্য ‘অপেক্ষা’ করছে।
সংঘাত ছড়িয়ে পড়ায় কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পণ্য ও তেলবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে।
সংঘাত ছড়িয়ে পড়ায় কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালি দিয়ে পণ্য ও তেলবাহী জাহাজ চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। ইরান বলছে, প্রণালিটি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করার পরিকল্পনা নেই তাদের। তবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের কোনো জাহাজকে তারা ছাড় দেবে না।
ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস সতর্ক করে বলেছে, হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলে নিরাপত্তা দিতে যদি যুক্তরাষ্ট্র নৌবাহিনী মোতায়েন করে, তবে তারা সেখানে মার্কিন বাহিনীর জন্য ‘অপেক্ষা’ করছে।
আইআরজিসির মুখপাত্র আলি মোহাম্মদ নাইনি বলেন, ‘আমরা তাদের উপস্থিতির জন্য অপেক্ষা করছি।’ এর আগে মার্কিন জ্বালানিমন্ত্রী ঘোষণা দেন পরিস্থিতি অনুকূল হলেই হরমুজ প্রণাণি দিয়ে জাহাজ চলাচলে নিরাপত্তা দিতে মার্কিন নৌবাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।
ফার্স নিউজ এজেন্সির বরাতে নাইনি আরও বলেন, ‘কোনো সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে আমেরিকানদের ১৯৮৭ সালে মার্কিন সুপারট্যাংকার ব্রিজেটন-এ আগুন লাগার ঘটনা এবং সম্প্রতি লক্ষ্যবস্তু হওয়া তেলবাহী ট্যাংকারগুলোর কথা মনে রাখা উচিত।’
১৯৮৭ সালে পারস্য উপসাগরে মার্কিন নৌবাহিনীর নিরাপত্তা বহরের সঙ্গে চলার সময় ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডের পেতে রাখা মাইনে আঘাত পেয়ে ব্রিজেটন ট্যাংকারটি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল।
শনিবার (৭ মার্চ) আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, ইরানের সামরিক বাহিনীর এক মুখপাত্র জানিয়েছেন, চলমান যুদ্ধের কারণে প্রণালিতে জাহাজ চলাচল কমে গেছে। যে কোনো জাহাজ চাইলে হরমুজ প্রণালি অতিক্রম করতে পারে, তবে তার নিরাপত্তার দায়িত্ব নিজেই বহন করবে। তিনি আরও সতর্ক করে বলেন, ‘যদি ইসরাইল বা যুক্তরাষ্ট্রের কোনো জাহাজ হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের চেষ্টা করে, আমরা সেগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করব


.












