ডেস্ক রিপোর্ট:
আটলান্টিক মহাসাগর পাড়ি দিয়ে অবৈধভাবে ইউরোপ যাওয়ার পথে অভিবাসনপ্রত্যাশীদের বহনকারী একটি নৌকা ডুবে গেছে। এতে নৌকাটিতে থাকা ৪৪ জন পাকিস্তানির মৃত্যু হয়েছে।
অভিবাসীদের অধিকার নিয়ে কাজ করা সংস্থা ওয়াকিং বর্ডার্স ও ভুক্তভোগীদের পরিবারের বরাতে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম দ্য ডন এই তথ্য প্রকাশ করেছে।
ওয়াকিং বর্ডার্স ১৬ জানুয়ারি জানায়, ৮৬ জন অভিবাসনপ্রত্যাশী নিয়ে নৌকাটি পশ্চিম আফ্রিকার দেশ মৌরিতানিয়া থেকে স্পেনের ক্যানারি দ্বীপপুঞ্জের উদ্দেশে রওনা হয়। নৌকাটির মধ্যে ৬৬ জন পাকিস্তানি ছিল।
ওয়াকিং বর্ডার্সের সিইও হেলেনা ম্যালেনো এক এক্স (সাবেক টুইটার) পোস্টে বলেন, মরক্কো কর্তৃপক্ষ বুধবার ৩৬ জনকে উদ্ধার করেছে এবং ‘ডুবে যাওয়ার’ আশঙ্কায় থাকা ৪৪ জন পাকিস্তানি নাগরিকের মধ্যে রয়েছেন।
প্রতিবেদনটি আরও জানায়, নৌকাটি ১৩ দিন ধরে সমুদ্রে আটকা পড়েছিল। তবে, অভিবাসীদের মৃত্যুর সঠিক কারণ এখনও স্পষ্ট নয়।
পাকিস্তান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক এক্স পোস্টে জানানো হয়, ৮০ জন যাত্রী নিয়ে নৌকাটি পশ্চিম সাহারার বিতর্কিত অঞ্চলের উপকূলে ডুবে যায়।
পোস্টে আরও বলা হয়, ‘পাকিস্তানি সহ কয়েকজন বেঁচে যাওয়া ব্যক্তি দাখলার একটি শিবিরে আটকে আছেন। রাবাতে আমাদের দূতাবাস স্থানীয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করছে এবং পাকিস্তানি নাগরিকদের প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার জন্য দূতাবাসের একটি দল দাখলায় পাঠানো হয়েছে।’
তবে ভুক্তভোগীদের পরিবার অভিযোগ করছে যে, তাদের স্বজনেরা নির্যাতনের কারণে মারা গেছেন, তবে ওই নির্যাতনের জন্য তারা কার উপর দায় চাপাচ্ছেন তা স্পষ্ট নয়।












