ডেস্ক রিপোর্ট:
জামায়াতের আমির ড. শফিকুর রহমান বলেছেন, আর যেন ইসলামি দলগুলোর ওপর কেউ কাঁঠাল ভেঙে খেতে না পারে, সে বিষয়ে সবাইকে সচেতন থাকতে হবে এবং ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।
শনিবার (২৮ ডিসেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে খেলাফত মজলিসের সমাবেশে যোগ দিয়ে তিনি এই কথা বলেন।
তিনি বলেন, “ছাত্রদের আমি স্যালুট জানাতে চাই। আগামীর বাংলাদেশ তাদের হাতে তুলে দিয়ে আমরা পেছন থেকে সহযোগিতা করতে চাই। আর যেন ইসলামিক দলগুলোর ওপর কেউ কাঁঠাল ভেঙে খেতে না পারে। আমাদের সচেতন থাকতে হবে।”
জামায়াতের আমির আরও বলেন, “আওয়ামী লীগের আমলে সাড়ে ২৬ লাখ কোটি টাকা বিদেশে পাচার করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ জাতীয় নেতাদের অপমান করেছে, লাঞ্ছিত করেছে, কষ্ট দিয়েছে। সব থেকে আক্রোশ তারা ওলামা-একরামদের ওপর মেটিয়েছে।”
তিনি বলেন, “দেশের মানুষকে অপমানিত করা হয়েছে। হাজার হাজার ওলামায়-একরামকে মিথ্যা মামলায় জেলে পাঠিয়ে লাঞ্ছিত করা হয়েছে। কুরআনের হাফেজদের নির্বিচারে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। শাপলা চত্বরের ঘটনা দেশবাসী কখনো ভুলবে না। এর সাথে কত উপবাস করা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীর মতো দায়িত্বশীল চেয়ারে বসে তিনি বলেছেন, সেখানে রক্ত নয়, রং ছড়ানো হয়েছিল।”
ড. শফিকুর রহমান আরও বলেন, “২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর মাত্র দুই মাসের মাথায় ৫৭ জন চৌকস সেনাবাহিনীর অফিসারকে হত্যা করার মাধ্যমে তাদের যাত্রা শুরু হয়েছিল। এরপর তারা জামায়াত ইসলামকে বেছে নিয়েছে। আমাদের ১১ জনকে তারা হত্যা করেছে। এভাবে আলেম-ওলামাদের এত বেশি লাঞ্ছনা করা হয়েছে, এর শেষ নেই। আওয়ামী লীগ এদেশের হাজার কোটি মানুষকে কষ্ট দিয়েছে, জুলুম করেছে। এমনকি একজন ভিক্ষুকের ওপরও তারা জুলুম করেছে।”
তিনি বলেন, “বিপ্লবের পরে ইসলামি দলগুলো পাহারাদারের কাজ করেছে। দেশে এমন নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকা উচিত, যাতে মসজিদ যদি পাহারা দিতে না লাগে, মন্দিরেও পাহারা দিতে না হয়। সবাই যার ধর্ম পালন করবে, আমরা ইসলামের দাওয়াত দিয়ে যাব।”












