কালবৈশাখীর ভয়াবহ তাণ্ডবে কুমিল্লার বিভিন্ন উপজেলায় বসতবাড়ি, গাছপালা ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। জেলার অন্তত ১০০টির বেশি ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে এবং কয়েক হাজার গাছ উপড়ে বা ভেঙে পড়েছে। এ সময় পৃথক ঘটনায় বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।
নিহতরা হলেন চান্দিনা উপজেলার মাইজখার ইউনিয়নের পূর্ব মাইজখার গ্রামের আমির হোসেনের স্ত্রী নাজমা আক্তার (৪৫) এবং ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের আশাবাড়ি গ্রামের শামসুল আলম (৪৫)। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নাজমা আক্তার জমি থেকে ধান কেটে বাড়ি ফেরার সময় হঠাৎ বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মারা যান। তিনি এক ছেলে ও তিন কন্যা সন্তানের জননী।
অন্যদিকে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার আশাবাড়ি গ্রামে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন ভ্যানচালক শামসুল আলম। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বুড়িচং উপজেলার বাকশীমূল ইউনিয়নের আনন্দপুর উত্তরপাড়া (চকবস্তা) গ্রামে পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন। বিকেলে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
চান্দিনা উপজেলার ইউএনও মোহাম্মদ আশরাফুল হক জানান, ঝড়ে উপজেলায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং নিহত পরিবারকে সরকারি সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে বৈশাখী ঝড়ে জেলার ১৭টি উপজেলাতেই বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ো বাতাসে খুঁটি উপড়ে পড়া, ট্রান্সফরমার ও মিটার নষ্ট হওয়ায় হাজার হাজার গ্রাহক দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন থাকেন। বিদ্যুৎ না থাকায় মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষার্থীদের অনেক কেন্দ্রে চার্জার লাইট বা মোমবাতি জ্বালিয়ে পরীক্ষা দিতে হয়েছে।
কালবৈশাখীর ভয়াবহ তাণ্ডবে কুমিল্লার বিভিন্ন উপজেলায় বসতবাড়ি, গাছপালা ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। জেলার অন্তত ১০০টির বেশি ঘর বিধ্বস্ত হয়েছে এবং কয়েক হাজার গাছ উপড়ে বা ভেঙে পড়েছে। এ সময় পৃথক ঘটনায় বজ্রপাতে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।
নিহতরা হলেন চান্দিনা উপজেলার মাইজখার ইউনিয়নের পূর্ব মাইজখার গ্রামের আমির হোসেনের স্ত্রী নাজমা আক্তার (৪৫) এবং ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার শশীদল ইউনিয়নের আশাবাড়ি গ্রামের শামসুল আলম (৪৫)। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নাজমা আক্তার জমি থেকে ধান কেটে বাড়ি ফেরার সময় হঠাৎ বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই মারা যান। তিনি এক ছেলে ও তিন কন্যা সন্তানের জননী।
অন্যদিকে মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার আশাবাড়ি গ্রামে মাছ ধরতে গিয়ে বজ্রপাতে গুরুতর আহত হন ভ্যানচালক শামসুল আলম। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। তিনি দীর্ঘদিন ধরে বুড়িচং উপজেলার বাকশীমূল ইউনিয়নের আনন্দপুর উত্তরপাড়া (চকবস্তা) গ্রামে পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন। বিকেলে জানাজা শেষে তাকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
চান্দিনা উপজেলার ইউএনও মোহাম্মদ আশরাফুল হক জানান, ঝড়ে উপজেলায় ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতির তালিকা প্রস্তুত করা হচ্ছে এবং নিহত পরিবারকে সরকারি সহায়তা প্রদানের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এদিকে বৈশাখী ঝড়ে জেলার ১৭টি উপজেলাতেই বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় বড় ধরনের ক্ষতি হয়েছে। ঝড়ো বাতাসে খুঁটি উপড়ে পড়া, ট্রান্সফরমার ও মিটার নষ্ট হওয়ায় হাজার হাজার গ্রাহক দীর্ঘ সময় বিদ্যুৎবিচ্ছিন্ন থাকেন। বিদ্যুৎ না থাকায় মঙ্গলবার অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষার্থীদের অনেক কেন্দ্রে চার্জার লাইট বা মোমবাতি জ্বালিয়ে পরীক্ষা দিতে হয়েছে।


কুমিল্লা প্রেস সংবাদ দেখার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। সাবস্ক্রাইব করে কুমিল্লা প্রেসের সাথেই থাকুন।












