মঙ্গলবার শহরের বিভিন্ন এলাকায় শত শত বিক্ষোভকারী জড়ো হন, তাদের মধ্যে অনেকেই মুখোশ পরিহিত ছিলেন। এ সময় তারা একটি বাস ও কয়েকটি গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন। শহরের কেন্দ্রের কাছাকাছি একটি ভবনেও অগ্নিসংযোগ করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, বিক্ষোভকারীরা প্রথমে ময়লার পাত্রে আগুন লাগায় এবং পরে পেট্রোলবোমা নিক্ষেপ করে।
এদিকে বেলফাস্ট থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার পশ্চিমে অবস্থিত অ্যানট্রিম এলাকাতেও বিক্ষোভ করে জনতা। ফার্স্ট মিনিস্টার মিশেল ও’নিল এই বিক্ষোভের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং সকলকে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেয়া এক বার্তায় তিনি বলেন, ‘মুখোশধারী লোকজনের দল পরিবারগুলোকে তাদের ঘরবাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিতে আগুন লাগাচ্ছে, যা জঘন্য কাপুরুষতা ছাড়া আর কিছুই নয়।’
তিনি আরও বলেন, ‘বর্ণবাদ, ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং সহিংসতা যেখানেই ঘটুক না কেন, তা ভুল। রাতের এসব হামলার কোনো অজুহাত বা যৌক্তিকতা থাকতে পারে না। কেউই আমাদের রাস্তায় এমন পরিস্থিতি দেখতে চায় না। আমি আবারও শান্ত থাকার আহ্বান জানাচ্ছি।’
সোমবার গভীর রাতে উত্তর বেলফাস্টে সংঘটিত ছুরিকাঘাতের ঘটনায় গ্রেপ্তার সন্দেহভাজনের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার রাতে হত্যা চেষ্টার অভিযোগ, জনসমক্ষে ধারালো অস্ত্র বহন এবং হত্যার হুমকি দেয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। ৩০ বছর বয়সী ওই ব্যক্তির নাম প্রকাশ করা হয়নি। বুধবার তাকে আদালতে হাজির করারও কথা রয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, চল্লিশোর্ধ্ব এক ব্যক্তি ওই হামলায় গুরুতর আহত হন। ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার হওয়া একটি রান্নাঘরের ছুরি দিয়ে তার চোখে গুরুতর আঘাত করা হয় এবং মুখ ও পিঠে গভীর ক্ষত সৃষ্টি করা হয়। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ব্যক্তি তার বাম চোখ হারিয়েছেন।












