ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের (ইবি) জুলাই ৩৬ আবাসিক হলের এক ছাত্রীর বিরুদ্ধে হলের একাধিক নারী শিক্ষার্থীর ছবি গোপনে তুলে লন্ডনে থাকা এক যুবকের কাছে পাঠানোর গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত ছাত্রীকে হল থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে এবং বিষয়টি খতিয়ে দেখতে তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হল প্রশাসন।
আজ শুক্রবার (৭ আগস্ট) জুলাই ৩৬ হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. শামছুল হক ছিদ্দিকী স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এ সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্ত ছাত্রীর ব্যবহৃত দুটি মোবাইল ফোন তদন্ত কমিটির নিয়ন্ত্রণে নেওয়া হয়েছে।
কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন অধ্যাপক ড. আরিফা আক্তার। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন—সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহা. খাইরুল ইসলাম এবং অধ্যাপক ড. মুহা. কামরুজ্জামান।
জানা যায়, গতকাল বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দিনগত রাত ১০টার দিকে ওই আবাসিক হলে ঘটনাটি জানাজানি হলে চরম তোলপাড় ও উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। হলের আবাসিক ওই ছাত্রী গোপনে অন্য ছাত্রীদের ছবি তুলে তা লন্ডনপ্রবাসী এক যুবকের কাছে পাঠাতেন বলে অভিযোগ তোলেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
এ বিষয়ে হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. এ. কে. এম. শামছুল হক ছিদ্দিকী জানান, গতকাল রাতভর ঘটনাটির খোঁজখবর নিয়েছি এবং ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীদের লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছে এবং ওই ছাত্রীকে হল থেকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।












