মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছান তারা।
ত্রিপলীর তাজুরা ডিটেনশন সেন্টার থেকে ১৭৪ জন বাংলাদেশি নাগরিককে আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহায়তায় দেশে প্রত্যাবাসন করা হয়েছে। এসব অভিবাসীরা ভূমধ্যসাগরে উদ্ধার হওয়ার পর দীর্ঘদিন ধরে তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে আটক ছিলেন।
এভাবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে অনিয়মিতভাবে সমুদ্রপথে বিদেশ গমনের চেষ্টা অনেক ক্ষেত্রে অভিবাসীদের মৃত্যু, নিখোঁজ, জিম্মি বা আটক হওয়ার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। এর ফলে অনেক অভিবাসীকে দীর্ঘ সময় ডিটেনশন সেন্টারে মানবেতর পরিবেশে বন্দি জীবনযাপন করতে হয়।
বাংলাদেশ দূতাবাস সবাইকে দালাল ও মানবপাচারকারীদের প্ররোচনায় বিভ্রান্ত না হয়ে অনিয়মিত পথে বিদেশ গমনের চেষ্টা থেকে বিরত থাকার জন্য আহ্বান জানিয়েছে।
বাংলাদেশ দূতাবাস লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে আটক বাংলাদেশি নাগরিকদের শনাক্তকরণ, কনস্যুলার সহায়তা প্রদান এবং দেশে প্রত্যাবাসনে ধারাবাহিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে
এ লক্ষ্যে দূতাবাস নিয়মিতভাবে লিবিয়ার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও আইওএম-এর সঙ্গে যোগাযোগ ও সমন্বয় বজায় রাখছে। একই সঙ্গে বেনগাজীর গানফুদা ও ত্রিপলীর তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে অবস্থানরত অন্যান্য বাংলাদেশি নাগরিকদের দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ অব্যাহত রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।










