জাহাজ চলাচলের জন্য হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার ঘোষণা দিলেও বাস্তবে এখনো সীমিত আকারে নৌযান চলাচল করছে। এর মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আবারও পাল্টাপাল্টি হুমকি উত্তেজনা বাড়িয়ে তুলেছে।
ইরান সতর্ক করে জানিয়েছে, হরমুজে মার্কিন নৌ-অবরোধ অব্যাহত থাকলে গুরুত্বপূর্ণ এই জলপথ পুনরায় বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে। লেবানন-ইসরায়েল যুদ্ধবিরতির প্রেক্ষাপটে এমন অবস্থান সামনে আসে।
মার্কিন গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর (আইআরজিসি) নৌবাহিনী প্রণালি ব্যবহারকারী জাহাজগুলোর ওপর নতুন শর্ত আরোপ করেছে। এর মধ্যে যাতায়াতের আগে তাদের অনুমতি নেওয়ার বিষয়টি উল্লেখযোগ্য।
অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড কয়েকটি ইরানি জাহাজকে বন্দরের দিকে ফিরিয়ে দিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এ পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন, ইরানের সঙ্গে চুক্তি হলেই অবরোধ তুলে নেওয়া হতে পারে।
তবে অবরোধ ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান নিয়ে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। ইরানের পার্লামেন্টের স্পিকার মোহাম্মদ বাঘের গালিবাফও কড়া বার্তা দিয়ে বলেছেন, অবরোধ প্রত্যাহার না হলে হরমুজে জাহাজ চলাচল সীমিত রাখা হবে এবং তা পুরোপুরি ইরানের অনুমতির ওপর নির্ভর করবে।
উল্লেখ্য, ফেব্রুয়ারির শেষদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর থেকেই হরমুজ প্রণালিতে কৌশলগত নিয়ন্ত্রণ জোরদার করে তেহরান, যা এখনো আঞ্চলিক উত্তেজনার অন্যতম কেন্দ্রবিন্দু হয়ে আছে।












