গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্ত্রী, তিন সন্তান ও শ্যালককে হত্যার আলোচিত ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত ফোরকান মিয়ার মরদেহ পদ্মা নদী থেকে উদ্ধার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
বৃহস্পতিবার নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এর আগে পদ্মা সেতুর ওপর থেকে তার ব্যবহৃত ব্যাগ ও কাপড় উদ্ধার করে অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এসব আলামতের ভিত্তিতে ধারণা করা হচ্ছে, হত্যাকাণ্ডের পর তিনি সেতু থেকে নদীতে ঝাঁপ দেন।
পুলিশ জানায়, ঘটনার পর থেকেই ফোরকান পলাতক ছিলেন এবং তাকে ধরতে একাধিক দল কাজ করছিল। পরে উদ্ধার হওয়া আলামত শনাক্তের পর অনুসন্ধান জোরদার করা হলে নদী থেকে তার মরদেহ পাওয়া যায়।
গত ৮ মে গভীর রাতে কাপাসিয়ার রাউতকোনা গ্রামে এই মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড ঘটে। নিহতরা হলেন ফোরকানের স্ত্রী শারমিন, তার তিন কন্যা—মীম, মারিয়া ও ফারিয়া এবং শ্যালক রসুল মিয়া।
ঘটনার পরদিন সকালে ফোরকান আত্মীয়কে ফোন করে হত্যার কথা স্বীকার করে পালানোর কথা জানান বলে জানা গেছে। পরে স্থানীয়রা বাড়িতে গিয়ে নিহতদের মরদেহ দেখতে পান।
তদন্তে উঠে এসেছে, পারিবারিক কলহ ও ব্যক্তিগত বিরোধ থেকে এই হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে। ঘটনার পর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য কয়েকজনকে আটকও করা হয়েছিল।














