রয়টার্সের জরিপ
বিশ্বকাপের ভবিষ্যদ্বাণী করা সবসময়ই কঠিন। অনেক সময় মূল্যস্ফীতির গতিপথ অনুমান করাও যেন এর চেয়ে সহজ মনে হয়। তবু বিশ্বকাপ এলেই সম্ভাব্য চ্যাম্পিয়ন নিয়ে আলোচনা থামে না। এবার রয়টার্সের এক জরিপে অর্থনীতিবিদদের পছন্দের তালিকায় ২০২৬ বিশ্বকাপের সম্ভাব্য চ্যাম্পিয়ন হিসেবে উঠে এসেছে ফ্রান্সের নাম।
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে হতে যাওয়া ৪৮ দলের বিশ্বকাপ নিয়ে জরিপে অংশ নিয়েছেন প্রায় সব মহাদেশের ১৬০ জন অর্থনীতিবিদ। যুদ্ধ, জ্বালানি সংকট, মূল্যস্ফীতি ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা নিয়ে নিয়মিত পূর্বাভাস দেওয়া পেশাদারদের জন্য এটি ছিল ভিন্ন স্বাদের এক জরিপ। তবে তাদের ভোটে ফুটবলের হিসাবও কম আকর্ষণীয় হয়নি।
১১ মে থেকে ৫ জুন পর্যন্ত চালানো জরিপে ৩৫ শতাংশ ভোট পেয়েছে ফ্রান্স। অর্থনীতিবিদদের ধারণা, ১৯ জুলাইয়ের ফাইনালে স্পেনকে হারিয়ে তৃতীয় বিশ্বকাপ জিততে পারে দিদিয়ের দেশমের দল। স্পেন পেয়েছে ৩১ শতাংশ ভোট। ব্যবধান খুব বেশি নয়, তবে শিরোপার দৌড়ে সামান্য এগিয়ে ফ্রান্সই।
ফ্রান্স সত্যিই বিশ্বকাপ জিতলে দেশমের জন্য সেটি হবে ঐতিহাসিক অর্জন। ১৯৩৮ সালে ইতালির ভিট্টোরিও পোজ্জোর পর প্রথম কোচ হিসেবে দুটি বিশ্বকাপ জয়ের কীর্তি গড়বেন তিনি। আরও বড় ব্যাপার, খেলোয়াড় হিসেবেও ১৯৯৮ সালে বিশ্বকাপ জিতেছিলেন দেশম। কোচ ও খেলোয়াড়—দুই ভূমিকাতেই বিশ্বকাপ জয়ের কীর্তি তার নামকে আরও অনন্য করে তুলবে।
জরিপে ফ্রান্স ও স্পেনের পর শীর্ষ পাঁচে আছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা, পর্তুগাল ও ইংল্যান্ড। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে থাকা আর্জেন্টিনা এবার নামবে শিরোপা ধরে রাখার মিশনে। লিওনেল মেসিদের সামনে চ্যালেঞ্জ বড়, কারণ আধুনিক ফুটবলে টানা দুটি বিশ্বকাপ জেতা প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠেছে।
ফ্রান্সকে এগিয়ে রাখার পেছনে যুক্তিও আছে। ২০২২ বিশ্বকাপের ফাইনালে হারের হতাশা এবার তাদের জন্য প্রেরণা হতে পারে। সেই দলের অনেক ফুটবলার এখন ক্যারিয়ারের সেরা সময়ে। সঙ্গে পিএসজির কয়েকজন তরুণের উত্থান এবং কিলিয়ান এমবাপ্পের তুলনামূলক সতেজ অবস্থায় টুর্নামেন্টে যাওয়ার সম্ভাবনা—সব মিলিয়ে ফ্রান্সকে শক্তিশালী দেখছেন অনেকেই।
এমবাপ্পে ব্যক্তিগত পুরস্কারের দৌড়েও অর্থনীতিবিদদের পছন্দের শীর্ষে। জরিপে তাকেই গোল্ডেন বল ও গোল্ডেন বুটের সবচেয়ে বড় দাবিদার হিসেবে দেখা হয়েছে। রিয়াল মাদ্রিদে আরেকটি গোলময় মৌসুম শেষ করে বিশ্বকাপে যাচ্ছেন ফরাসি তারকা। তার কাছাকাছি আছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেইন, যিনি বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে ক্যারিয়ারসেরা ৬১ গোলের মৌসুম কাটিয়েছেন।
বিশ্বকাপের সর্বকালের গোলের রেকর্ডও এবার আলোচনায় থাকবে। জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসার ১৬ গোলের রেকর্ড এখনও অটুট। এমবাপ্পের বিশ্বকাপ গোল ১২, মেসির ১৩, হ্যারি কেইনের ৮। ফলে দলীয় শিরোপার পাশাপাশি ব্যক্তিগত রেকর্ডের লড়াইও জমে উঠতে পারে।
জরিপে অবশ্য স্বপ্নবাজদের ভোটও ছিল। কেউ বেছে নিয়েছেন জাপানকে, কেউ মেক্সিকোকে, কেউ মরক্কোকে। এমন কোনো দল চ্যাম্পিয়ন হলে সেটি বিশ্বকাপের রূপকথা হয়েই থাকবে। তবে অংশগ্রহণকারীদের বড় অংশ জানিয়েছেন, তাদের পূর্বাভাস পুরোপুরি তথ্য বা মডেলের ওপর দাঁড়িয়ে নয়। ৭৩ শতাংশ বলেছেন, তারা সহজাত অনুমান বা অভিজ্ঞতার ওপর ভর করে ভোট দিয়েছেন। মাত্র ২০ শতাংশ বেশি নির্ভর করেছেন ডেটা ও মডেলের ওপর।
ব্রাজিলের জন্য জরিপের ছবি সুখকর নয়। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের নিয়ে আশার চেয়ে শঙ্কাই বেশি দেখছেন অর্থনীতিবিদরা। প্রায় এক-তৃতীয়াংশ অংশগ্রহণকারীর ধারণা, এবারের বিশ্বকাপে বড় ফুটবল শক্তিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি হতাশ করতে পারে ব্রাজিল। কার্লো আনচেলত্তির মতো কোচ এলেও সেলেসাওদের ওপর আস্থা পুরোপুরি ফিরছে না—জরিপের ইঙ্গিত এমনই। ব্রাজিলের পর হতাশার তালিকায় আছে ইংল্যান্ড ও জার্মানি।
আন্ডারডগদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি নজর নরওয়ের দিকে। আর্লিং হলান্ডের দলকে ২১ শতাংশ ভোটার সম্ভাব্য চমক হিসেবে দেখছেন। এরপর আছে জাপান, যাদের পক্ষে ভোট ১৫ শতাংশ। বড় টুর্নামেন্টে শৃঙ্খলা, গতি ও দলীয় সংগঠনে জাপান আগেও নজর কেড়েছে। এবারও তাদের নিয়ে প্রত্যাশা কম নয়।
ব্রেকআউট তারকার প্রশ্নে ভোট ছড়িয়ে পড়েছে ৪৬ জন ফুটবলারের মধ্যে। তবে সবার ওপরে স্পেনের ১৮ বছর বয়সি ফরোয়ার্ড লামিন ইয়ামাল। বার্সেলোনার তরুণ তারকাকে অনেকেই এবারের বিশ্বকাপের সম্ভাব্য বড় আবিষ্কার হিসেবে দেখছেন। গোল্ডেন গ্লাভের দৌড়ে ফ্রান্সের মাইক মেনিয়াঁ, আর্জেন্টিনার এমিলিয়ানো মার্তিনেজ ও স্পেনের উনাই সিমনের নাম এসেছে আলোচনায়।
মাঠের বাইরেও ২০২৬ বিশ্বকাপ বড় পরীক্ষা হতে যাচ্ছে। তিন দেশজুড়ে ১০৪ ম্যাচের টুর্নামেন্ট মানে বিশাল লজিস্টিক আয়োজন। লাখো সমর্থক উত্তর আমেরিকায় ভিড় করবেন। কিন্তু টিকিট, আবাসন ও এক শহর থেকে আরেক শহরে যাতায়াতের খরচ নিয়ে ইতিমধ্যেই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অনেকের ধারণা, দর্শকদের জন্য এটি হতে পারে ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল বিশ্বকাপ।
অর্থনীতিবিদদের জরিপেও তাই ফিরে এসেছে মূল্যস্ফীতির প্রসঙ্গ। ৬০ শতাংশের বেশি অংশগ্রহণকারী বলেছেন, ২০২৬ সালের মূল্যস্ফীতি অনুমান করা বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন অনুমান করার চেয়ে সহজ। যদিও গত কয়েক বছরের জ্বালানি সংকট ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা সেই কাজকেও খুব সহজ রাখেনি।
তবু বিশ্বকাপ শেষ পর্যন্ত নিজের গল্প নিজেই লেখে। অর্থনীতির মডেল, বাজির বাজার, পরিসংখ্যান কিংবা সহজাত অনুমান—সবকিছুর বাইরে মাঠে সিদ্ধান্ত নেয় ৯০ মিনিটের চাপ, ভুল, প্রতিভা, স্নায়ু এবং কখনো কখনো ভাগ্রিফ্রান্স এগিয়ে, স্পেন কাছাকাছি, আর্জেন্টিনা শিরোপা ধরে রাখার লড়াইয়ে, ব্রাজিল নিয়ে সন্দেহ আছে। কিন্তু বাঁশি বাজার পর কোনো জরিপ গোল করে না।
বিশ্বকাপের ভবিষ্যদ্বাণী করা সবসময়ই কঠিন। অনেক সময় মূল্যস্ফীতির গতিপথ অনুমান করাও যেন এর চেয়ে সহজ মনে হয়। তবু বিশ্বকাপ এলেই সম্ভাব্য চ্যাম্পিয়ন নিয়ে আলোচনা থামে না। এবার রয়টার্সের এক জরিপে অর্থনীতিবিদদের পছন্দের তালিকায় ২০২৬ বিশ্বকাপের সম্ভাব্য চ্যাম্পিয়ন হিসেবে উঠে এসেছে ফ্রান্সের নাম।
যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকোতে হতে যাওয়া ৪৮ দলের বিশ্বকাপ নিয়ে জরিপে অংশ নিয়েছেন প্রায় সব মহাদেশের ১৬০ জন অর্থনীতিবিদ। যুদ্ধ, জ্বালানি সংকট, মূল্যস্ফীতি ও বৈশ্বিক অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তা নিয়ে নিয়মিত পূর্বাভাস দেওয়া পেশাদারদের জন্য এটি ছিল ভিন্ন স্বাদের এক জরিপ। তবে তাদের ভোটে ফুটবলের হিসাবও কম আকর্ষণীয় হয়নি।
১১ মে থেকে ৫ জুন পর্যন্ত চালানো জরিপে ৩৫ শতাংশ ভোট পেয়েছে ফ্রান্স। অর্থনীতিবিদদের ধারণা, ১৯ জুলাইয়ের ফাইনালে স্পেনকে হারিয়ে তৃতীয় বিশ্বকাপ জিততে পারে দিদিয়ের দেশমের দল। স্পেন পেয়েছে ৩১ শতাংশ ভোট। ব্যবধান খুব বেশি নয়, তবে শিরোপার দৌড়ে সামান্য এগিয়ে ফ্রান্সই।
ফ্রান্স সত্যিই বিশ্বকাপ জিতলে দেশমের জন্য সেটি হবে ঐতিহাসিক অর্জন। ১৯৩৮ সালে ইতালির ভিট্টোরিও পোজ্জোর পর প্রথম কোচ হিসেবে দুটি বিশ্বকাপ জয়ের কীর্তি গড়বেন তিনি। আরও বড় ব্যাপার, খেলোয়াড় হিসেবেও ১৯৯৮ সালে বিশ্বকাপ জিতেছিলেন দেশম। কোচ ও খেলোয়াড়—দুই ভূমিকাতেই বিশ্বকাপ জয়ের কীর্তি তার নামকে আরও অনন্য করে তুলবে।
জরিপে ফ্রান্স ও স্পেনের পর শীর্ষ পাঁচে আছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা, পর্তুগাল ও ইংল্যান্ড। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে থাকা আর্জেন্টিনা এবার নামবে শিরোপা ধরে রাখার মিশনে। লিওনেল মেসিদের সামনে চ্যালেঞ্জ বড়, কারণ আধুনিক ফুটবলে টানা দুটি বিশ্বকাপ জেতা প্রায় অসম্ভব হয়ে উঠেছে।
ফ্রান্সকে এগিয়ে রাখার পেছনে যুক্তিও আছে। ২০২২ বিশ্বকাপের ফাইনালে হারের হতাশা এবার তাদের জন্য প্রেরণা হতে পারে। সেই দলের অনেক ফুটবলার এখন ক্যারিয়ারের সেরা সময়ে। সঙ্গে পিএসজির কয়েকজন তরুণের উত্থান এবং কিলিয়ান এমবাপ্পের তুলনামূলক সতেজ অবস্থায় টুর্নামেন্টে যাওয়ার সম্ভাবনা—সব মিলিয়ে ফ্রান্সকে শক্তিশালী দেখছেন অনেকেই।
এমবাপ্পে ব্যক্তিগত পুরস্কারের দৌড়েও অর্থনীতিবিদদের পছন্দের শীর্ষে। জরিপে তাকেই গোল্ডেন বল ও গোল্ডেন বুটের সবচেয়ে বড় দাবিদার হিসেবে দেখা হয়েছে। রিয়াল মাদ্রিদে আরেকটি গোলময় মৌসুম শেষ করে বিশ্বকাপে যাচ্ছেন ফরাসি তারকা। তার কাছাকাছি আছেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক হ্যারি কেইন, যিনি বায়ার্ন মিউনিখের হয়ে ক্যারিয়ারসেরা ৬১ গোলের মৌসুম কাটিয়েছেন।
বিশ্বকাপের সর্বকালের গোলের রেকর্ডও এবার আলোচনায় থাকবে। জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোসার ১৬ গোলের রেকর্ড এখনও অটুট। এমবাপ্পের বিশ্বকাপ গোল ১২, মেসির ১৩, হ্যারি কেইনের ৮। ফলে দলীয় শিরোপার পাশাপাশি ব্যক্তিগত রেকর্ডের লড়াইও জমে উঠতে পারে।
জরিপে অবশ্য স্বপ্নবাজদের ভোটও ছিল। কেউ বেছে নিয়েছেন জাপানকে, কেউ মেক্সিকোকে, কেউ মরক্কোকে। এমন কোনো দল চ্যাম্পিয়ন হলে সেটি বিশ্বকাপের রূপকথা হয়েই থাকবে। তবে অংশগ্রহণকারীদের বড় অংশ জানিয়েছেন, তাদের পূর্বাভাস পুরোপুরি তথ্য বা মডেলের ওপর দাঁড়িয়ে নয়। ৭৩ শতাংশ বলেছেন, তারা সহজাত অনুমান বা অভিজ্ঞতার ওপর ভর করে ভোট দিয়েছেন। মাত্র ২০ শতাংশ বেশি নির্ভর করেছেন ডেটা ও মডেলের ওপর।
ব্রাজিলের জন্য জরিপের ছবি সুখকর নয়। পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নদের নিয়ে আশার চেয়ে শঙ্কাই বেশি দেখছেন অর্থনীতিবিদরা। প্রায় এক-তৃতীয়াংশ অংশগ্রহণকারীর ধারণা, এবারের বিশ্বকাপে বড় ফুটবল শক্তিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি হতাশ করতে পারে ব্রাজিল। কার্লো আনচেলত্তির মতো কোচ এলেও সেলেসাওদের ওপর আস্থা পুরোপুরি ফিরছে না—জরিপের ইঙ্গিত এমনই। ব্রাজিলের পর হতাশার তালিকায় আছে ইংল্যান্ড ও জার্মানি।
আন্ডারডগদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি নজর নরওয়ের দিকে। আর্লিং হলান্ডের দলকে ২১ শতাংশ ভোটার সম্ভাব্য চমক হিসেবে দেখছেন। এরপর আছে জাপান, যাদের পক্ষে ভোট ১৫ শতাংশ। বড় টুর্নামেন্টে শৃঙ্খলা, গতি ও দলীয় সংগঠনে জাপান আগেও নজর কেড়েছে। এবারও তাদের নিয়ে প্রত্যাশা কম নয়।


ব্রেকআউট তারকার প্রশ্নে ভোট ছড়িয়ে পড়েছে ৪৬ জন ফুটবলারের মধ্যে। তবে সবার ওপরে স্পেনের ১৮ বছর বয়সি ফরোয়ার্ড লামিন ইয়ামাল। বার্সেলোনার তরুণ তারকাকে অনেকেই এবারের বিশ্বকাপের সম্ভাব্য বড় আবিষ্কার হিসেবে দেখছেন। গোল্ডেন গ্লাভের দৌড়ে ফ্রান্সের মাইক মেনিয়াঁ, আর্জেন্টিনার এমিলিয়ানো মার্তিনেজ ও স্পেনের উনাই সিমনের নাম এসেছে আলোচনায়।
মাঠের বাইরেও ২০২৬ বিশ্বকাপ বড় পরীক্ষা হতে যাচ্ছে। তিন দেশজুড়ে ১০৪ ম্যাচের টুর্নামেন্ট মানে বিশাল লজিস্টিক আয়োজন। লাখো সমর্থক উত্তর আমেরিকায় ভিড় করবেন। কিন্তু টিকিট, আবাসন ও এক শহর থেকে আরেক শহরে যাতায়াতের খরচ নিয়ে ইতিমধ্যেই উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। অনেকের ধারণা, দর্শকদের জন্য এটি হতে পারে ইতিহাসের সবচেয়ে ব্যয়বহুল বিশ্বকাপ।
অর্থনীতিবিদদের জরিপেও তাই ফিরে এসেছে মূল্যস্ফীতির প্রসঙ্গ। ৬০ শতাংশের বেশি অংশগ্রহণকারী বলেছেন, ২০২৬ সালের মূল্যস্ফীতি অনুমান করা বিশ্বকাপের চ্যাম্পিয়ন অনুমান করার চেয়ে সহজ। যদিও গত কয়েক বছরের জ্বালানি সংকট ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা সেই কাজকেও খুব সহজ রাখেনি।
তবু বিশ্বকাপ শেষ পর্যন্ত নিজের গল্প নিজেই লেখে। অর্থনীতির মডেল, বাজির বাজার, পরিসংখ্যান কিংবা সহজাত অনুমান—সবকিছুর বাইরে মাঠে সিদ্ধান্ত নেয় ৯০ মিনিটের চাপ, ভুল, প্রতিভা, স্নায়ু এবং কখনো কখনো ভাগ্য। জরিপে ফ্রান্স এগিয়ে, স্পেন কাছাকাছি, আর্জেন্টিনা শিরোপা ধরে রাখার লড়াইয়ে, ব্রাজিল নিয়ে সন্দেহ আছে। কিন্তু বাঁশি বাজার পর কোনো জরিপ গোল করে না।











