তাপপ্রবাহের পর সাম্প্রতিক বৃষ্টি ও ঝড়ো হাওয়ায় কিছুটা স্বস্তি ফিরলেও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কালবৈশাখী ও বজ্রপাতের তাণ্ডবে বাড়ছে উদ্বেগ। প্রাণহানির পাশাপাশি নানা ধরনের ক্ষয়ক্ষতির ঘটনাও ঘটছে।
মঙ্গলবার আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানান, গত ১২ ঘণ্টায় বাংলাদেশের আকাশে অস্বাভাবিক মাত্রায় বজ্রপাত হয়েছে, যা তার পর্যবেক্ষণে সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম ভয়াবহ পরিস্থিতি।
এদিকে আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ সংস্থা বিডব্লিউওটি জানিয়েছে, আগামী কয়েকদিন দেশের বিভিন্ন স্থানে ভারী থেকে অতি ভারী বর্ষণের পাশাপাশি বজ্রপাতের প্রবণতা অব্যাহত থাকতে পারে। বিশেষ করে ৪ মে পর্যন্ত বজ্রসহ বৃষ্টির ঝুঁকি বেশি থাকবে বলে সতর্ক করা হয়েছে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বজ্রপাত শুধু প্রাণহানিই ঘটায় না; এটি শরীরে গুরুতর আঘাত, দগ্ধ হওয়া, শ্রবণশক্তি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া এমনকি হৃদরোগজনিত জটিলতাও তৈরি করতে পারে। তাই ঝড়-বৃষ্টির সময় খোলা জায়গা, বড় গাছের নিচ ও জলাশয়ের আশপাশ এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সতর্কতায় বলা হয়েছে, বজ্রপাতের সময় নিরাপদ ভবনের ভেতরে অবস্থান করতে হবে এবং বৈদ্যুতিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে। শিশুদেরও এ বিষয়ে সচেতন করার তাগিদ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।
আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, ঝড় থেমে যাওয়ার পরও অন্তত ৩০ মিনিট সতর্ক থাকতে হবে, কারণ বজ্রপাতের ঝুঁকি তখনও পুরোপুরি কাটে না।












