রাজধানীর কাঁঠালবাগানে স্ত্রী ও শাশুড়িকে ছুরিকাঘাতে হত্যার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন জামাতা হৃদয় ওরফে শিপন।
সোমবার (০৩ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জামসেদ আলম ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তার জবানবন্দি রেকর্ড করেন।
এ দিন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কলাবাগান থানার পরিদর্শক সরদার ইব্রাহিম হোসেন সোহেল আসামি শিপনকে আদালতে হাজির করেন। এ সময় তিনি স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে সম্মত হওয়ায় তা রেকর্ডের আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা।সেই আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক জবানবন্দি রেকর্ড করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এর আগে রোববার কাঁঠালবাগানের একটি বাসায় স্ত্রী ফারজানা আকতার রাত্রি ও শাশুড়ি ফিরোজা বেগমকে ছুরিকাঘাতে হত্যার পর নিজেই থানায় গিয়ে খবর দেন শিপন।পরে তাকে আসামি করে মামলা করেন শ্বশুর ফারুক।
মামলার এজাহারে বলা হয়, পাঁচ বছর আগে শিপন ও রাত্রির বিয়ে হয়।তাদের এক বছরের ছেলে রয়েছে। বিয়ের পর থেকে বিভিন্ন বিষয়ে তাদের কলহ লেগে থাকত। ভাতিজার বিয়ের অনুষ্ঠান ঘিরে গত ২৪ জুলাই পরিবারের সবাইকে নিয়ে গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুরে যান শিপনের শ্বশুর।
গত ৩০ জুলাই বিয়ে বাড়িতে দুই বন্ধুকে নিয়ে যান শিপন। সেখানে স্ত্রীর সঙ্গে মনোমালিন্য হলে ৩১ জুলাই শিপন ঢাকায় চলে আসেন। গত ১ আগস্ট তার শ্বশুর অন্য সবাইকে নিয়ে ঢাকায় ফেরেন। এরপর শিপনকে তার স্ত্রী বাসায় আসতে বললেও আসেননি। ২ অগাস্ট বাসায় ফিরে স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়ায় জড়ান তিনি।
ঝগড়ার একপর্যায়ে রান্নাঘর থেকে সবজি কাটার ছুরি দিয়ে স্ত্রীকে এলোপাতাড়ি কোপান শিপন। চিৎকার শুনে শ্বাশুড়ি চলে এলে তাকেও কুপিয়ে হত্যা করেন।












