যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প হুমকি দিয়েছেন, ইরান আলোচনায় না ফিরলে আগামী সপ্তাহে দেশটির সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলা চালানো হবে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে টানা কয়েক দিনের মতো পাল্টাপাল্টি হামলার মধ্যেই ফক্স নিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এর আগে ট্রাম্প হরমুজ প্রণালি দিয়ে যাওয়া সব পণ্যবাহী জাহাজের ওপর ২০ শতাংশ ফি আরোপের হুমকি থেকে সরে এসেছেন। একইসঙ্গে তিনি ইরানের বন্দরগুলো অবরোধের পদক্ষেপ আবার শুরু করার ঘোষণা দিয়েছেন।
ডনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘আগামী সপ্তাহটি তাদের জন্য সত্যিই খুব খারাপ হবে। আমরা তাদের সব বিদ্যুৎকেন্দ্র ধ্বংস করে দেব। তারা আলোচনার টেবিলে না এলে তাদের সব সেতুও ধ্বংস করে দেব।’
গত এপ্রিলেও ট্রাম্প ইরানের সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার হুমকি দিয়েছিল। সে সময় জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার ফলকার টুর্ক বলেছিলেন, ‘আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক মানুষ ও বেসামরিক অবকাঠামোতে হামলা চালানো যুদ্ধাপরাধ।’
যুদ্ধে মানবিক আচরণ সংক্রান্ত ১৯৪৯ সালের জেনেভা কনভেনশন বেসামরিক নাগরিকদের জন্য অপরিহার্য বলে বিবেচিত স্থানসমূহে আক্রমণ নিষিদ্ধ করা হয়েছে।
স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (১৪ জুলাই) রাতে সম্প্রচারিত স্পেশাল রিপোর্ট উইথ ব্রেট বেয়ার অনুষ্ঠানে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ডনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘জ্বালানি-সংক্রান্ত লক্ষ্যগুলো আমি শেষের জন্য রেখে দিচ্ছি, তবে শেষ পর্যন্ত আমরা সেই লক্ষ্য অর্জন করব।’
তিনি আরও বলেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের আলোচকরা তাদের ইরানি প্রতিনিধিদের জানিয়েছেন যে, তোমরা চুক্তি করে নাও। নইলে তোমাদের আর কিছুই অবশিষ্ট থাকবে না।’
ট্রাম্পের এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে, যখন তিনি এর আগে বলেছিলেন যে হরমুজ প্রণালিতে ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপের পরিকল্পনার পরিবর্তে উপসাগরীয় দেশগুলোর সঙ্গে বৃহৎ পরিসরের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ চুক্তিকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।












