কুমিল্লারবিবার, ২৭শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

শেখ হাসিনার বিষয়ে বাংলাদেশ-ভারত সমঝোতা আশা করে যুক্তরাষ্ট্র

প্রতিবেদক
Cumilla Press
সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২৬ ১১:৫৫ অপরাহ্ণ
Link Copied!

মানবতাবিরোধী অপরাধে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিষয়ে বাংলাদেশ ও ভারত নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সিদ্ধান্তে পৌঁছাবে বলে আশা করছে যুক্তরাষ্ট্র। তবে শেখ হাসিনার সঙ্গে কী করা উচিত, সে বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো নির্দিষ্ট অবস্থান নেই। 

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) নিউইয়র্কে ফরেন প্রেস সেন্টারে ‘একটি স্থিতিশীল, সমৃদ্ধ ও সার্বভৌম দক্ষিণ এশিয়ার সমর্থনে মার্কিন নীতি’ শীর্ষক’ ব্রিফিংয়ে ট্রাম্প প্রশাসনের এই অবস্থান তুলে ধরেন মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা। 

২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে ভারতে অবস্থান করছেন শেখ হাসিনা। গত নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাকে মৃত্যুদণ্ড দেন।  

ব্রিফিংয়ে শেখ হাসিনার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান জানতে চাইলে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা বলেন, এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক অবস্থান নেয়নি। তার ভাষ্য, শেখ হাসিনার বিষয়টি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে বৈরিতার একটি বড় কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আশা করে, বাংলাদেশ ও ভারত নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে এ বিষয়ে একটি সমাধানে পৌঁছাবে। তবে শেখ হাসিনার সঙ্গে কী করা উচিত, সে বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র এখনো নির্দিষ্ট কোনো মত দেয়নি।

এদিকে আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কার্যক্রমের ওপর নিষেধাজ্ঞা নিয়ে জানতে চাওয়া হলে ওই কর্মকর্তা বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে মন্তব্য করতে চাননি। তবে তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে এবং বিএনপির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের সম্পর্ক খুবই ভালো।

মার্কিন ওই কর্মকর্তা বলেন, যুক্তরাষ্ট্র নির্বাচিত সরকারের সঙ্গে কাজ চালিয়ে যেতে চায়। বাংলাদেশকে আরও শক্তিশালী ও নিরাপদ করার চলমান কার্যক্রমের পাশে থাকার কথাও জানান তিনি। একই সঙ্গে বাংলাদেশকে আরও সমৃদ্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো কার্পণ্য নেই বলেও উল্লেখ করেন তিনি। এ কারণে বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি নিয়ে মন্তব্য করাকে সমীচীন মনে করেন না বলেও জানান।

এর আগে নিউইয়র্ক ফরেন প্রেস সেন্টারে মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক উপসহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী বিথানি মরিসন দক্ষিণ এশিয়ার বর্তমান পরিস্থিতি এবং ট্রাম্প প্রশাসনের নীতির আলোকে বক্তব্য দেন। পরে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে ফটোসেশনে অংশ নেন।