ব্যাংকে চাকরি দেওয়ার কথা বলে ময়মনসিংহ শহরে নিয়ে এক বিধবা নারীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে আব্দুল্লাহ আল মামুন নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে। পরে বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ওই নারীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক অব্যাহত রাখেন তিনি। একপর্যায়ে অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন ওই নারী। বর্তমানে তিনি আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী নারী ময়মনসিংহ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেছেন। আদালত মামলাটি তদন্তের জন্য জেলা গোয়েন্দা শাখাকে (ডিবি) দায়িত্ব দিয়েছেন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত আব্দুল্লাহ আল মামুন ঈশ্বরগঞ্জ উপজেলার জাটিয়া ইউনিয়নের ফানুর গ্রামের ইসহাক মিয়ার ছেলে।
এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, ব্যাংকে চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে ওই নারীকে ময়মনসিংহ শহরে নিয়ে আসেন মামুন। পরে তাকে একটি হোটেলে নিয়ে ধর্ষণ করেন। ঘটনার পর বিয়ের আশ্বাস দিয়ে ওই নারীর সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক অব্যাহত রাখেন তিনি।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ, মামুনের সঙ্গে শারীরিক সম্পর্কের কারণে একপর্যায়ে তিনি অন্তঃসত্ত্বা হয়ে পড়েন। বিষয়টি মামুনকে জানালে তিনি বিয়ে করতে অস্বীকৃতি জানান। পরে বিয়ের জন্য চাপ দেওয়া হলেও তিনি কোনো উদ্যোগ নেননি বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে।
এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করতে গেলে তাকে আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেওয়া হয় বলে দাবি করেন ভুক্তভোগী। পরে তিনি ময়মনসিংহ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা করেন।
মামলা করার পর অভিযুক্তের লোকজন তাকে ও তার পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ করেছেন ওই নারী। এতে তিনি ও তার পরিবারের সদস্যরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন বলে দাবি করেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবির এসআই পিন্টু রায় বলেন, সোমবার ভুক্তভোগীকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ডাক্তারি পরীক্ষা করানো হয়েছে। মামলাটি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।
অভিযুক্ত আব্দুল্লাহ আল মামুনের বক্তব্য জানতে তার ব্যবহৃত তিনটি মোবাইল নম্বরে একাধিকবার ফোন করা হলেও তিনি কল রিসিভ করেননি। পরে তার গ্রামের বাড়িতে খোঁজ নিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি। সূত্র: জাগো নিউজ।












