ফকল্যান্ড দীপপুঞ্জ নিয়ে ঐতিহাসিক বিরোধ আছে আর্জেন্টিনা ও ইংল্যান্ডের মধ্যে। তাইতো সবশেষ বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে শিরোপা খোয়ালেও সেমিফাইনালে ইংল্যান্ড বধকে বড় অর্জন হিসেবে দেখছেন আর্জেন্টিনার সাবেক তারকা আনহেল ডি মারিয়া। ওই অর্জনেই বিশ্বকাপ নিয়ে আর্জেন্টিনার কাছে প্রত্যাশা নিজের কাছে শেষ হয়েছে বলে জানান তিনি। প্রতিবেদন টিওয়াইসি স্পোর্টসের।
ক্লাউসুরা টুর্নামেন্টের উদ্বোধনী ম্যাচে বৃহস্পতিবার বেলগ্রানোর কাছে ২-১ গোলে হেরেছে রোসারিও সেন্ট্রাল। ম্যাচ শেষে আর্জেন্টাইন তারকা অ্যাঞ্জেল দি মারিয়া জাতীয় দল, লিওনেল মেসি এবং কোচ লিওনেল স্কালোনিকে নিয়ে নিজের অনুভূতির কথা জানান।
ডি মারিয়া বলেন, ইংল্যান্ডকে হারানো পুরো আর্জেন্টিনার জন্যই ছিল এক অসাধারণ আনন্দের মুহূর্ত, ‘ইংল্যান্ডকে হারানো পুরো দেশের জন্যই ছিল এক বিশাল আনন্দ। সেটা খুব স্পষ্টভাবেই অনুভূত হয়েছে এবং আমি এতে ভীষণ খুশি। সবার প্রতি আমি চিরকৃতজ্ঞ।’
বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার যাত্রা নিয়ে তিনি বলেন, প্রতিটি ম্যাচই তিনি দারুণ উদ্বেগ নিয়ে দেখেছেন, ‘প্রতিটি ম্যাচ আমি ভীষণ দুশ্চিন্তার মধ্যে দেখেছি। কিন্তু তারা ভেতরের শক্তিটা খুঁজে পেয়েছিল, যা শেষ পর্যন্ত তাদের জয় এনে দেয়। কখনও ফাইনালে জেতা যায়, কখনও যায় না। এবার সেটা হয়নি, তবে তারা আর্জেন্টিনার পতাকাকে উঁচুতে তুলে ধরেছে।’
ডি মারিয়ার মতে, ইংল্যান্ডকে হারানোর মধ্যেই আর্জেন্টিনা দেশের মানুষকে সবচেয়ে বড় আনন্দ উপহার দিয়েছে, ‘তারা শুধু করতালির চেয়েও বেশি কিছু পাওয়ার যোগ্য। তারা যা অর্জন করেছে এবং ইংল্যান্ডকে যেভাবে হারিয়েছে, সেটাই ছিল সেই অভিযানের সেরা মুহূর্ত। আমার কাছে বিশ্বকাপ সেখানেই শেষ হয়ে গেছে।’
লিওনেল মেসির জাতীয় দলে ভবিষ্যৎ নিয়েও আশাবাদ ব্যক্ত করেন ডি মারিয়া, ‘মেসি যত দিন নিজে চাইবেন, তত দিন জাতীয় দলে খেলুক। আমার মনে হয়, তার সামনে এখনও অনেক বছর রয়েছে। ৩৯ বছর বয়সেও সে প্রমাণ করেছে, ইতিহাসের অন্যতম সেরা ফুটবলার সে এবং তার সামর্থ্যের কোনো সীমা নেই।
জাতীয় দলের কোচ লিওনেল স্কালোনিকেও দায়িত্বে দেখতে চান তিনি, ‘তিনি এখনকার স্কালোনি। সবার ভালোর জন্যই আমি চাই তিনি দায়িত্বে থাকুন। আমাদের দারুণ একঝাঁক তরুণ ফুটবলার আছে। শেষ পর্যন্ত সিদ্ধান্ত তিনিই নেবেন, তবে আমি আশা করি তিনি থাকবেন।’











