মিয়ানমারে মাঝারি মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত হানার পর এর কম্পন বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় অনুভূত হয়েছে। বিশেষ করে চট্টগ্রামসহ দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের কয়েকটি স্থানে মৃদু কাঁপুনি টের পান বাসিন্দারা।
রোববার দিবাগত রাত ১টা ৩৬ মিনিটে এ ভূমিকম্পটি আঘাত হানে বলে আন্তর্জাতিক ভূকম্পন পর্যবেক্ষণ সংস্থাগুলো জানিয়েছে। জার্মানির জিওসায়েন্সেস গবেষণা কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, ভূমিকম্পটির মাত্রা ছিল ৫ এবং এর গভীরতা ছিল প্রায় ১০ কিলোমিটার।
মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা জানায়, মিয়ানমারের সিদোকতাইয়া এলাকার কাছে ভূমিকম্পটির উৎপত্তি হয়। তবে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত বা বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি।
কম্পনের সময় চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় কয়েক সেকেন্ডের জন্য ঘরবাড়ি কেঁপে ওঠে। এতে আতঙ্কিত হয়ে অনেকেই ঘর থেকে বেরিয়ে আসেন।
এর আগে একদিন আগেই দেশের উত্তরাঞ্চলেও আরেকটি মৃদু ভূমিকম্প অনুভূত হয়। আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর তথ্য অনুযায়ী, ওই কম্পনের মাত্রা ছিল ৪ দশমিক ৪ থেকে ৪ দশমিক ৫। ভারতের আসাম অঞ্চলে উৎপত্তি হওয়া সেই ভূমিকম্পের প্রভাব সীমান্তঘেঁষা বাংলাদেশের জেলাগুলোতেও পড়ে।
উত্তরাঞ্চলের লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম, রংপুর, দিনাজপুর ও ময়মনসিংহসহ বিভিন্ন এলাকায় বাসিন্দারা ঝাঁকুনি অনুভবের কথা জানিয়েছেন। যদিও এসব ঘটনায় বড় ধরনের কোনো ক্ষতির খবর পাওয়া যায়নি, তবে একাধিক কম্পনে জনমনে আতঙ্ক তৈরি হয়েছে।












