মনির হোসেন বলেন, জব্দকৃত জ্বালানি তেল স্থানীয় খোলা বাজারে বিদ্যমান দামে বিক্রি করা হচ্ছে, যাতে সাধারণ মানুষ সরাসরি এর সুবিধা পায়।
কৃষকদের ডিজেল পাওয়া নিশ্চিত করতে কী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানতে চাইলে এই মুখপাত্র বলেন, জেলা প্রশাসন ও কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকদের তালিকা অনুযায়ী ডিজেল সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে। কোনো কৃষক যাতে বঞ্চিত না হন, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি রয়েছে।
ফিলিং স্টেশনে ভিআইপিদের অগ্রাধিকার দেওয়ার অভিযোগ উঠছে- এমন প্রশ্নের জবাবে যুগ্মসচিব বলেন, এ ধরনের কোনো নির্দেশনা বা সুযোগ নেই। সবাইকে সমানভাবে জ্বালানি সরবরাহের নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।
জ্বালানি সাশ্রয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বলেন, বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। একইসঙ্গে ব্যক্তি পর্যায়েও সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। ‘এটি একটি বৈশ্বিক সমস্যা, তাই সম্মিলিতভাবে সাশ্রয়ী আচরণই এর উত্তরণের প্রধান উপায়’- বলেন তিনি।
বিদ্যুৎ খাতে গ্যাস সরবরাহ আগের থেকে বাড়ানো হয়েছে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিদ্যুৎ খাতে গ্যাস সরবরাহ চাহিদা অনুযায়ী সমন্বয়ের মাধ্যমে দেওয়া হচ্ছে এবং এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় চলছে।
নতুন কোন কোন উৎস থেকে জ্বালানি তেল আমদানি করা হবে- জানতে চাইলে মনির হোসেন বলেন, ভবিষ্যতে জ্বালানি সরবরাহ আরও স্থিতিশীল করতে মধ্য এশিয়ার উজবেকিস্তান ও কাজাখস্তানসহ বিভিন্ন নতুন উৎস থেকে আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি সিঙ্গাপুরসহ আঞ্চলিক বাজার থেকেও জ্বালানি সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
দেশে জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে এবং কোনো ধরনের সংকট নেই বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ও যুগ্মসচিব মনির হোসেন চৌধুরী।
তিনি বলেন, বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্টা রুখতে মজুতদারদের বিরুদ্ধে বা অবৈধভাবে জ্বালানি মজুত করলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) সচিবালয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে সার্বিক জ্বালানির পরিস্থিতি নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মনির হোসেন এ কথা বলেন।
তিনি বলেন, বৈশ্বিক পরিস্থিতির কারণে মধ্যপ্রাচ্যের কিছু সরবরাহ চুক্তি ‘ফোর্স মেজর’-এর আওতায় পড়লেও বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি আমদানির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এসব ক্ষেত্রে ইতোমধ্যে ইতিবাচক অগ্রগতি রয়েছে এবং আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পাওয়া গেলে দ্রুত সরবরাহ শুরু হবে।
এসব ক্ষেত্রে ইতোমধ্যে ইতিবাচক অগ্রগতি রয়েছে এবং আনুষ্ঠানিক অনুমোদন পাওয়া গেলে দ্রুত সরবরাহ শুরু হবে।
মনির হোসেন বলেন, বর্তমানে দেশের জ্বালানি আমদানি ও পরিশোধন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। বিশেষ করে পরিশোধিত জ্বালানি তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে এবং চট্টগ্রামের ইস্টার্ন রিফাইনারিতে ক্রুড অয়েল পরিশোধন কার্যক্রমও চলমান আছে। ফলে জ্বালানি সরবরাহে কোনো ঘাটতি নেই।
মজুতদারি ও কৃত্রিম সংকট নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সরকার ইতোমধ্যে কঠোর বার্তা দিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সমন্বয়ে উদ্ধার অভিযান চলছে। কেউ অবৈধভাবে জ্বালানি মজুত করলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থাও নেওয়া হবে।
মনির হোসেন বলেন, জব্দকৃত জ্বালানি তেল স্থানীয় খোলা বাজারে বিদ্যমান দামে বিক্রি করা হচ্ছে, যাতে সাধারণ মানুষ সরাসরি এর সুবিধা পায়।
কৃষকদের ডিজেল পাওয়া নিশ্চিত করতে কী উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে জানতে চাইলে এই মুখপাত্র বলেন, জেলা প্রশাসন ও কৃষি কর্মকর্তাদের মাধ্যমে প্রকৃত কৃষকদের তালিকা অনুযায়ী ডিজেল সরবরাহ নিশ্চিত করা হচ্ছে। কোনো কৃষক যাতে বঞ্চিত না হন, সে বিষয়ে কঠোর নজরদারি রয়েছে।
ফিলিং স্টেশনে ভিআইপিদের অগ্রাধিকার দেওয়ার অভিযোগ উঠছে- এমন প্রশ্নের জবাবে যুগ্মসচিব বলেন, এ ধরনের কোনো নির্দেশনা বা সুযোগ নেই। সবাইকে সমানভাবে জ্বালানি সরবরাহের নীতি অনুসরণ করা হচ্ছে।
জ্বালানি সাশ্রয়ের ওপর গুরুত্বারোপ করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বলেন, বৈশ্বিক সংকট মোকাবিলায় সরকার ইতোমধ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছে। একইসঙ্গে ব্যক্তি পর্যায়েও সাশ্রয়ী হওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। ‘এটি একটি বৈশ্বিক সমস্যা, তাই সম্মিলিতভাবে সাশ্রয়ী আচরণই এর উত্তরণের প্রধান উপায়’- বলেন তিনি।
বিদ্যুৎ খাতে গ্যাস সরবরাহ আগের থেকে বাড়ানো হয়েছে কিনা- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিদ্যুৎ খাতে গ্যাস সরবরাহ চাহিদা অনুযায়ী সমন্বয়ের মাধ্যমে দেওয়া হচ্ছে এবং এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় চলছে।
নতুন কোন কোন উৎস থেকে জ্বালানি তেল আমদানি করা হবে- জানতে চাইলে মনির হোসেন বলেন, ভবিষ্যতে জ্বালানি সরবরাহ আরও স্থিতিশীল করতে মধ্য এশিয়ার উজবেকিস্তান ও কাজাখস্তানসহ বিভিন্ন নতুন উৎস থেকে আমদানির পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি সিঙ্গাপুরসহ আঞ্চলিক বাজার থেকেও জ্বালানি সংগ্রহের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।












