মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের প্রেক্ষাপটে প্রতি ব্যারেল তেলের দাম ১০০ ডলারের বেশি হওয়া অনিবার্য বলে মন্তব্য করেছেন ক্রেমলিনের প্রভাবশালী কর্মকর্তা কিরিল দিমিত্রিয়েভ। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে হামলা চালানোর পর হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে গেছে। মধ্যপ্রাচ্যের এই গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ দিয়ে বিশ্বের ২০ ভাগ তেল পরিবহন হয়।
বিদেশি দেশগুলোর সঙ্গে বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা বিষয়ক রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের বিশেষ প্রতিনিধি এবং রাশিয়ান ডিরেক্ট ইনভেস্টমেন্ট ফান্ডের (আরডিআইএফ) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা দিমিত্রিয়েভ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে লিখেছেন, ‘এশিয়ায় সরবরাহকৃত তেলের দাম ইতোমধ্যেই প্রতি ব্যারেল ৯০ ডলার অতিক্রম করেছে। মুরবান ক্রুডের দাম ৯৬ ডলার। তেলের দাম শিগগিরই ১০০ ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করতে পারে।’
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে বৃহৎ আকারের সামরিক অভিযান শুরু করে। এতে তেহরানসহ ইরানের বেশ কয়েকটি বড় শহরে হামলা চালানো হয়। হোয়াইট হাউস দাবি করেছে, ইরানের কথিত ক্ষেপণাস্ত্র ও পারমাণবিক হুমকির কারণে এই হামলা চালানো হয়েছে।
একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্ব প্রকাশ্যে ইরানের জনগণকে তাদের সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে ক্ষমতা দখলের আহ্বান জানায়। হামলার ফলে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি এবং দেশটির আরও কয়েকজন সামরিক ও বেসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন।
এর প্রতিক্রিয়ায় ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) ইসরায়েলের বিভিন্ন স্থাপনা লক্ষ্য করে পাল্টা সামরিক অভিযান শুরুর ঘোষণা দেয়। পাশাপাশি বাহরাইন, জর্ডান, কাতার, কুয়েত, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও সৌদি আরবে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটিতেও হামলা চালায় তারা।


.











