আওয়ামী লীগের নেতা হুমায়ূন কবির (৫৫) কারা হেফাজতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে রাজধানীর জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটে তার মৃত্যু হয়।
মৃত হুমায়ূন কবির নগরের গলাচিপা এলাকার প্রয়াত চান শরীফের ছেলে। তিনি মহানগর আওয়ামী লীগের ১৩ নম্বর ওয়ার্ড কমিটির সহ-সভাপতি এবং স্থানীয় পঞ্চায়েত কমিটির সভাপতি ছিলেন।
নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারের জেল সুপার ফোরকান ওয়াহিদ বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, সোমবার রাত ৯টার দিকে হুমায়ূন কবির কারাগারে অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে দ্রুত নারায়ণগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে অবস্থার অবনতি হলে চিকিৎসক তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দেন।
তিনি আরও জানান, পরে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের মাধ্যমে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখান থেকে চিকিৎসকের পরামর্শে তাকে জাতীয় হৃদরোগ ইন্সটিটিউটে নেয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। জেল সুপারের দাবি, হুমায়ূন কবির আগে থেকেই হৃদরোগে আক্রান্ত ছিলেন এবং বুকে ব্যথা শুরু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়েছিল।
কারাগার সূত্রে জানা গেছে, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের একটি মামলায় গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর গ্রেপ্তার হন হুমায়ূন কবির। সেই থেকে তিনি নারায়ণগঞ্জ জেলা কারাগারে বন্দি ছিলেন।












