রবিবার (২১ ডিসেম্বর) থিয়েটার ইনস্টিটিউট চট্টগ্রামে (টিআইসি) আয়োজিত চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন ও এসপেরিয়া হেলথ রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (এআরএফ) যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত ‘চট্টগ্রামে ডেঙ্গু, জিকা ও চিকুনগুনিয়া সংক্রমণের সার্বিক পরিস্থিতি, জনস্বাস্থ্যে প্রভাব, চিকিৎসা পদ্ধতি এবং ভাইরাসের জিনোমের স্বরূপ উন্মোচন অনুষ্ঠানে গবেষণার এসব ফলাফল তুলে ধরা হয়।
চট্টগ্রামের সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন হাসপাতালে গত জুন থেকে নভেম্বর পর্যন্ত চিকুনগুনিয়া আক্রান্তদের মধ্যে এক হাজার একশত রোগী এবং ডেঙ্গু আক্রান্তের মধ্যে এক হাজার ৭৯৭ জন রোগীর ক্লিনিক্যাল ও বায়োলজিক্যাল তথ্য-উপাত্ত নিয়ে গবেষণায় এসব ফল উঠে আসে বলে আয়োজকরা জানান।
গবেষকরা জানান, চট্টগ্রাম অঞ্চলে ডেঙ্গু, জিকা ও চিকুনগুনিয়া সংক্রমণের প্রকৃত চিত্র নিরূপণ এবং ভবিষ্যৎ জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি মোকাবিলায় কার্যকর কৌশল প্রণয়নের লক্ষ্যে এই গবেষণা পরিচালিত হয়।
গবেষণায় বলা হয়, চিকুনগুনিয়া রোগ কেবল স্বল্পমেয়াদি জ্বরের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং দীর্ঘস্থায়ী অস্থিসন্ধির ব্যথা, কর্মক্ষমতা হ্রাস এবং উল্লেখযোগ্য অর্থনৈতিক ক্ষতির কারণ হয়ে উঠছে।
গবেষণায় উঠে আসে, চিকুনগুনিয়ার সঙ্গে ডেঙ্গু (১০ শতাংশ) ও জিকা (১ দশমিক ১ শতাংশ) একযোগে সংক্রমণ পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে।












