ইউক্রেনজুড়ে রুশ বাহিনীর ব্যাপক ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় অন্তত ছয়জন নিহত হয়েছেন। রাজধানী কিয়েভসহ ওডেসা ও লভিভের মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোর জ্বালানি অবকাঠামো ও রেলযোগাযোগ ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে রাতভর এই হামলা চালানো হয়।
ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জানান, এসব হামলায় বেসামরিক নাগরিক হতাহত হয়েছেন এবং গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। যদিও মস্কোর দাবি, তাদের হামলা ছিল সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে।
এ হামলার জবাবে রাশিয়ার অভ্যন্তরেও ড্রোন অভিযান চালিয়েছে ইউক্রেন। অঞ্চলের একটি ক্ষেপণাস্ত্র কারখানায় হামলার খবর পাওয়া গেছে। রাশিয়ার পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, বেলগোরোদ, ব্রিয়ানস্ক ও কুরস্ক অঞ্চলে শতাধিক ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে।
এদিকে সীমান্তবর্তী অঞ্চলে প্রশাসনিক পরিবর্তন আনা হয়েছে; পদত্যাগ করেছেন কয়েকজন গভর্নর এবং নতুন দায়িত্বপ্রাপ্তদের নিয়োগ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট।
রাশিয়ার হামলার পর পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে সদস্য নিজেদের আকাশসীমা সুরক্ষায় যুদ্ধবিমান মোতায়েন করেছে।
সংঘাতের মধ্যেই ইউক্রেনীয় গোয়েন্দা সংস্থাগুলো সম্ভাব্য বড় ধরনের ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আশঙ্কা প্রকাশ করেছে। অন্যদিকে, যুদ্ধবিরতির জন্য দনবাস অঞ্চল থেকে ইউক্রেনীয় সেনা প্রত্যাহারের শর্ত পুনর্ব্যক্ত করেছে ক্রেমলিন।
এ পরিস্থিতিতে সামরিক উত্তেজনা ও কূটনৈতিক টানাপোড়েন আরও জটিল আকার নিচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।












