দেশব্যাপী চলমান হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির মধ্যেই টিকা নেওয়া কিছু শিশুর মধ্যে হাম শনাক্ত হওয়ায় উদ্বেগ বাড়ছে অভিভাবকদের মধ্যে। তবে চিকিৎসকরা বলছেন, টিকা নেওয়ার পর সংক্রমণ হলেও গুরুতর জটিলতার ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে কম থাকে।
স্বাস্থ্য বিভাগের উদ্যোগে গত মাস থেকে ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী শিশুদের টিকাদান কার্যক্রম চলছে। এতে ব্যাপক সাড়া মিললেও টিকা নেওয়ার কয়েকদিন বা সপ্তাহ পর কিছু শিশুর মধ্যে জ্বর, ত্বকে দানা এবং অন্যান্য উপসর্গ দেখা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন অভিভাবকরা।
চিকিৎসকদের ভাষ্য অনুযায়ী, টিকা নেওয়ার পরপরই শরীরে পূর্ণ প্রতিরোধ ক্ষমতা তৈরি হয় না। সাধারণত ৩ থেকে ৪ সপ্তাহ সময় লাগে কার্যকর ইমিউনিটি গড়ে উঠতে। এই সময়ের মধ্যে ভাইরাস সংক্রমিত হলে শিশু আক্রান্ত হতে পারে। এছাড়া কোনো টিকাই শতভাগ সুরক্ষা নিশ্চিত করে না, তবে টিকা নেওয়া থাকলে রোগের তীব্রতা ও মৃত্যুঝুঁকি অনেকটাই কমে যায়।
বিশ্বের অনেক উন্নত দেশেও সম্প্রতি হামের প্রাদুর্ভাব ফিরে এসেছে। তবে সেখানে উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থা, পুষ্টি এবং সচেতনতার কারণে মৃত্যুহার কম। বিপরীতে বাংলাদেশে সচেতনতার ঘাটতি ও পুষ্টিহীনতার কারণে মৃত্যুহার তুলনামূলক বেশি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
চিকিৎসকরা অভিভাবকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়ে বলেছেন, ঈদের ছুটিসহ যেকোনো সময় শিশুদের ভিড় এড়িয়ে চলা এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলা জরুরি। প্রয়োজনে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন তারা।












