জ্বালানি তেল ও এলপি গ্যাসের পর এবার বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এ লক্ষ্যে বুধবার (২০ মে) রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে দুই দিনব্যাপী গণশুনানি শুরু হয়েছে।
শুনানির প্রথম দিনে পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম বাড়ানোর প্রস্তাব উপস্থাপন করে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড (পিডিবি)। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. রেজাউল করিম বলেন, ডলার ও জ্বালানির মূল্য বৃদ্ধির কারণে বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যয় ক্রমাগত বাড়ছে।
তার তথ্য অনুযায়ী, চলতি অর্থবছরে বিদ্যুৎ খাতে ঘাটতি দাঁড়াতে পারে প্রায় ৬২ হাজার কোটি টাকা, যা আগামী অর্থবছরে আরও বেড়ে ৬৫ হাজার ৫৫৫ কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে। বর্তমানে প্রতি ইউনিট বিদ্যুতে গড়ে প্রায় ৫ টাকা ৯১ পয়সা লোকসান হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
পিডিবির মতে, বিদ্যুতের দাম সমন্বয় না করলে খাতটি বড় ধরনের আর্থিক ঝুঁকিতে পড়বে এবং সরকারকে বিপুল পরিমাণ ভর্তুকি দিতে হবে।
এদিকে শুনানিতে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও ব্যবসায়ী প্রতিনিধিরা অংশ নিয়ে দাম বাড়ানোর প্রস্তাবের বিরোধিতা করে নিজেদের মতামত তুলে ধরছেন। আগামী ধাপে বিদ্যুতের সঞ্চালন চার্জ এবং খুচরা পর্যায়ে মূল্যবৃদ্ধির প্রস্তাব নিয়েও আলোচনা হবে।












