গাজীপুরের কাপাসিয়ায় স্ত্রী, তিন সন্তান ও শ্যালককে হত্যার ঘটনায় নতুন চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। অভিযোগ উঠেছে, হত্যাকাণ্ড ঘটানোর পর অভিযুক্ত ফুরকান মিয়া নিজেই স্বজনদের ফোন করে বিষয়টি জানিয়ে আত্মগোপনে চলে যান। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুজনকে আটক করেছে পুলিশ।
শুক্রবার গভীর রাতে উপজেলার রাউতকোনা গ্রামে প্রবাসীর বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। শনিবার সকালে বিষয়টি জানাজানি হলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। নিহতরা হলেন—ফুরকানের স্ত্রী শারমিন, তাদের তিন মেয়ে ও শ্যালক রসুল মিয়া।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ভাড়া বাসায় বসবাসরত ফুরকান মিয়া পারিবারিক কলহের জেরে এ ঘটনা ঘটিয়ে থাকতে পারেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। ঘটনার পর সকালে তিনি এক আত্মীয়কে ফোন করে হত্যার কথা জানিয়ে পালিয়ে যান বলে স্বজনরা জানিয়েছেন।
ঘটনাস্থল থেকে কিছু আলামত জব্দ করা হয়েছে। পাশাপাশি মরদেহের পাশে পাওয়া কিছু নথিপত্র যাচাই করে পুলিশ জানতে পেরেছে, স্ত্রীর বিরুদ্ধে পূর্বে একটি অভিযোগ করেছিলেন ফুরকান, যেখানে আর্থিক বিরোধ ও দাম্পত্য সমস্যার বিষয় উল্লেখ ছিল।
পুলিশ জানায়, ঘটনার রহস্য উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে এবং অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক শোক ও উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।












