গোলের পর সতীর্থদের সঙ্গে আর্জেন্টাইন তারকা হুলিয়ান আলভারেজের উদযাপন। ছবি : এএফএ
দীর্ঘদিনের ফুটবল ইতিহাস, রাজনৈতিক টানাপোড়েন আর বিশ্বমঞ্চের স্মরণীয় লড়াইয়ের আবহে উত্তাপ ছড়াচ্ছে ইংল্যান্ড-আর্জেন্টিনা সেমিফাইনাল। তবে দ্বিতীয় সেমিফাইনালে মাঠে নামার আগে ইংল্যান্ড শিবির থেকে স্পষ্ট বার্তা— ইংলিশরা নয়, চাপে আছে বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা।
ইংল্যান্ডের ডিফেন্ডার মার্ক গিয়েহি মনে করেন, শিরোপাধারী হিসেবে প্রত্যাশার পুরো বোঝা আর্জেন্টিনার কাঁধে। তাই তার দলের খেলোয়াড়েরা কোনো অতিরিক্ত চাপ অনুভব করছেন না।
গিয়েহি বলেন, ‘আমাদের ওপর কোনো চাপ নেই। কিসের চাপ? তারা বিশ্বচ্যাম্পিয়ন, খেতাব ধরে রাখার দায়ও ওদের। আমরা বরং রোমাঞ্চিত। বিশ্বমানের খেলোয়াড়দের বিপক্ষে এমন মঞ্চে খেলতে পারাটা উপভোগ করতে চাই।’
আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড দ্বৈরথ মানেই ইতিহাসের ভার। ১৯৮৬ বিশ্বকাপে ডিয়েগো ম্যারাডোনার বিতর্কিত ‘হ্যান্ড অব গড’ গোল কিংবা একই ম্যাচে তার অবিশ্বাস্য একক নৈপুণ্য, আবার ১৯৯৮ বিশ্বকাপে ডেভিড বেকহ্যামের লাল কার্ড—দুই দলের লড়াইয়ে নাটকীয়তার অভাব কখনোই ছিল না। এর বাইরে ১৯৮২ সালের ফকল্যান্ড যুদ্ধের স্মৃতিও এই প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আলাদা মাত্রা যোগ করে।
যদিও ইংল্যান্ডের আরেক ডিফেন্ডার এজরি কনসা জানিয়েছেন, অতীতের আবেগে ভেসে যাওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই তাদের। তারা নিজেদের খেলাটা খেলতে চান।
‘আমাদের শুধু নিজেদের খেলায় মনোযোগ দিতে হবে। ইতিহাস ভুলে গিয়ে মাঠে নিজেদের সেরাটা খেলাই এখন একমাত্র লক্ষ্য’, বলেন কনসা।
১৯৬৬ সালের পর দ্বিতীয়বারের মতো বিশ্বকাপের ফাইনালে ওঠার স্বপ্ন দেখছে ইংল্যান্ড। আর সেই স্বপ্নপূরণের পথে তাদের সামনে সবচেয়ে বড় বাধা আর্জেন্টিনা।












