ঈদযাত্রার জনসমাগমে হামের সংক্রমণ বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন চিকিৎসকরা। যার প্রভাব এরইমধ্যে হাসপাতালগুলোতে দেখা যাচ্ছে। একই পরিবারের অনেকেই আক্রান্ত হচ্ছে বলে জানাচ্ছেন তারা। লক্ষণ প্রকাশ পাওয়া মাত্রই দেরি না করে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করার পাশাপাশি বিশেষজ্ঞদের মতে, জনসচেতনতা ছাড়া এই সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ কঠিন হবে। আর এ পরিস্থিতিতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার প্রচারণাও জরুরি।
শনিবার (৩০ মে) স্বাস্থ্য অধিদফতরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ সময় শনাক্ত হয়েছে ১ হাজার ৮৬ শিশু।
আগেই ঈদযাত্রার ভিড়ে হামের সংক্রমণ বাড়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন চিকিৎসকরা। এর মধ্যে ঈদের পর দিন ১৩৮ জন ভর্তি হয়েছে মহাখালীর ডিএনসিসি হাসপাতালে, যা হামের সংক্রমণ শুরুর পর একদিনে হাসপাতালটিতে সর্বোচ্চ সংখ্যক রোগী ভর্তি।
চিকিৎসকেরা বলছেন, এখন একই পরিবারের অনেকেই আক্রান্ত হচ্ছে হামে, যা বাড়িয়েছে উদ্বেগ। জনসচেতনতা ছাড়া হামের সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ কঠিন। লক্ষণ প্রকাশ পাওয়া মাত্রই হাসপাতালে ভর্তির পরামর্শ তাদের।
এছাড়া, অনেক অভিভাবক এখনও টিকা নিয়ে বিভ্রান্তিতে ভুগছেন বলে জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। প্রথম ডোজ দেয়ার পর কেউ কেউ আবার নির্ধারিত সময় টিকা না দেয়ায় পরিস্থিতি আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে বলে মনে করেন তারা।
শুধু টিকাই নয়, পর্যাপ্ত পুষ্টিকর খাবার না খাওয়ানোয় শিশুদের মধ্যে হাম সংক্রান্ত জটিলতা আর মৃত্যুঝুঁকি কয়েকগুণ বেড়ে যাচ্ছে বলে জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।














