ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রেসিডেন্ট থাকা সময় এবং প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী প্রচারণাকালে বেশ কয়েকবার হত্যাচেষ্টা ও প্রাণনাশের হুমকির মুখে পড়েছিলেন।
সবশেষ ওয়াশিংটন সময় শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে ওয়াশিংটন হিলটন হোটেলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের হোয়াইট হাউস সংবাদদাতাদের সঙ্গে নৈশভোজ অনুষ্ঠানে ‘গুলির’ ঘটনা ঘটে।গুলির শব্দ শোনার পর ট্রাম্প ও স্ত্রী মেলানিয়াকে নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হয়। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও ফার্স্ট লেডিসহ অন্যান্য অতিথিরা অক্ষত আছেন।
এ ঘটনায় একজন কর্মকর্তা গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তবে তিনি প্রাণে বেঁচে গেছেন।
এর আগে ২০২৪ সালের জুলাইয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভিয়ায় এক নির্বাচনী সমাবেশ মঞ্চে বক্তব্য দেওয়ার সময় ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে সরাসরি গুলি করা হয়। এই হামলায় এক পথচারী নিহত হন এবং কানে গুলি লেগে ট্রাম্প আহত হন।
ঘটনাস্থলেই নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে ২০ বছর বয়সী সন্দেহভাজন হামলাকারী থমাস ক্রুকস নিহত হয়।
এর কয়েক মাস পর সেপ্টেম্বরে, ফ্লোরিডার পশ্চিম পাম বিচে ট্রাম্পের একটি গলফ কোর্সের কাছে এক সশস্ত্র ব্যক্তি লুকিয়ে ছিল। যার উদ্দেশ্য ছিল ট্রাম্পকে হত্যা করা—এমনটাই জানিয়েছিল কর্তৃপক্ষ।
অভিযোগপত্রে বলা হয়, রিয়ান রাউথ কয়েক সপ্তাহ ধরে পরিকল্পিতভাবে ট্রাম্পকে হত্যার চেষ্টা চালান এবং ট্রাম্প যখন গলফ খেলছিলেন তখন ঝোপঝাড়ের আড়াল থেকে রাইফেল তাক করেছিল।
একজন সিক্রেট সার্ভিস এজেন্ট, রিয়ান রাউথকে গুলি চালানোর আগেই দেখতে পান এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই তাকে কাছাকাছি এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।
রাউথকে গত বছর ট্রাম্পকে হত্যাচেষ্টার দায়ে দোষী সাব্যস্ত করা হয় এবং ফেব্রুয়ারিতে তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া ফেব্রুয়ারিতেই ২১ বছর বয়সী অস্টিন মার্টিন একটি শটগান নিয়ে ফ্লোরিডার মার-এ-লাগো রিসোর্টে প্রবেশ করলে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। তবে সে সময় ট্রাম্প সেখানে উপস্থিত ছিলেন না।


.












