ইরানের পক্ষে যুদ্ধে নেমেছে ইয়েমেনের বিদ্রোহী গোষ্ঠী হুতি। ইসরাইল লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ার কথা জানিয়েছে গোষ্ঠীটি। বিশ্লেষকরা বলছেন, লোহিত সাগরে নৌযান লক্ষ্য করে হুতি হামলা চালালে বিশ্ব বাণিজ্য নতুন করে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে।
চার সপ্তাহের নীরবতা ভেঙে ইরানের পক্ষে যুদ্ধে যোগ দিয়েছে হুতিরা। হামলায় ইসরাইলের বিভিন্ন সংবেদনশীল সামরিক স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করা হয় বলে জানায় গোষ্ঠীটি।
হুতিদের হামলা ইরানের তুলনায় কম কার্যকর হলেও তা বিশ্ব অর্থনীতেতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলতে পারে।
গোষ্ঠীটি বাব এল-মান্দেব প্রণালীতে জাহাজে হামলা চালিয়ে আগেও বৈশ্বিক বাণিজ্যে বড় ধাক্কা দিয়েছে। আবারও এই পথ অস্থিতিশীল হলে, বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন সংকট তৈরি হতে পারে।
অন্যদিকে হরমুজ প্রণালীতে নিষেধাজ্ঞা থাকায় এ পরিস্থিতি আরও জটিল হবে।
সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ উপসাগরীয় দেশগুলোর জ্বালানি ও সামরিক স্থাপনাও হুমকির মুখে পড়তে পারে। অতীতে এমন হামলার জবাবে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইল সরাসরি বিমান হামলা চালিয়েছে। তবে হুতিরা এবার কতটা এগোবে তা এখনো স্পষ্ট নয়।
অন্যদিকে ইয়েমেন নিজেই দীর্ঘ যুদ্ধের পর কিছুটা স্থিতিশীলতা অর্জন করেছে। নতুন করে আঞ্চলিক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়লে দেশটির অভ্যন্তরীণ সংঘাত আবার জ্বলে উঠতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।


.












