ভারত থেকে আমদানি করা ১৬ হাজার মেট্রিক টন চাল নিয়ে মোংলা বন্দরে এসেছে দুটি জাহাজ। গতকাল শনিবার (১৪ মার্চ) বিকেলে এসে পৌঁছেছে জাহাজ দুটি।
বিদেশি জাহাজ দুটির স্থানীয় শিপিং এজেন্ট ‘সেভেন সিয়েসে’র ব্যবস্থাপক আবুল হাসেম শামিম জানিয়েছেন কলকাতা বন্দর থেকে পানামার পতাকাবাহী ‘এইচ টি পাইনিওর’ জাহাজে ১১ হাজার এবং ভিয়েতনামের পতাকাবাহী ‘হোয়াংটন-৮৯’ জাহাজে করে পাঁচ হাজার মেট্রিক টন চাল আমদানি করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে এই চাল আমদানি করা হয়েছে।
আবুল হাসেম শামিম বলেন, কলকাতা বন্দর থেকে মোংলা বন্দরে ছেড়ে আসা জাহাজ দুটি থেকে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে আজ রোববার সকাল থেকে চাল খালাস প্রক্রিয়া শুরু হয়। এরপর ছোট লাইটারেজ জাহাজে করে খালাস হওয়া চাল নৌপথে দেশের বিভিন্ন জেলার সরকারি গুদামে নেওয়া হচ্ছে। চার থেকে পাঁচ দিনের মধ্যে মোংলা বন্দরে আসা দুটি বিদেশি জাহাজ থেকে পুরোপুরি চাল খালাস প্রক্রিয়া শেষ হবে বলেও জানান তিনি।
মোংলা খাদ্য অফিসের সহকারী খাদ্য নিয়ন্ত্রক আব্দুস সোবাহান সরদার বলেন, জিটুজি চুক্তির মাধ্যমে সরকার ভারত, পাকিস্তান ও মিয়ানমার থেকে আট লাখ টন সিদ্ধ ও আতপ চাল আমদানির সিদ্ধান্ত নেয়। সেই চুক্তির আওতায় ভারত থেকে মোংলা বন্দরে আমদানি হওয়া চালের এটি নবম চালান।
আব্দুস সোবাহান আরও বলেন, দেশের বাজারে চালের মূল্য স্থিতিশীল রাখতে ও সরবরাহ বাড়াতে ভারত থেকে সরকার এবং বেসরকারি পর্যায়ে বিপুল চাল আমদানি শুরু হয়েছে। শুল্কমুক্ত সুবিধায় আমদানি করা এই চালের মধ্যে নন-বাসমতি চালই বেশি, যা দেশের বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করছে। এ ছাড়া ২০২৫ সালের ডিসেম্বরের পর থেকে নিয়মিতভাবে ভারতে পেট্রাপোল ও হিলি স্থলবন্দর দিয়ে চাল আসছে, যা দেশের বিভিন্ন স্থানে দ্রুততম সময়ে সরবরাহ করা হচ্ছে।


.











