রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সেরগেই ল্যাভরভ মঙ্গলবার বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে হামলা চালিয়ে গেলেও মস্কো এখনো এমন কোনো প্রমাণ দেখেনি যে তেহরান পারমাণবিক অস্ত্র উন্নয়ন করছিল।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যাওয়ার পক্ষে বিভিন্ন কারণ তুলে ধরেছেন। সোমবার এখন পর্যন্ত তার সবচেয়ে বিস্তৃত প্রকাশ্য বক্তব্যে তিনি বলেন, তেহরানের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি ঠেকাতেই তিনি হামলার নির্দেশ দিয়েছেন।
মস্কোয় বৈঠকের সময় ব্রুনাইয়ের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে ল্যাভরভ বলেন, ‘ইরান পারমাণবিক অস্ত্র উন্নয়ন করছিল— এমন কোনো প্রমাণ আমরা এখনো দেখিনি, যা এই যুদ্ধের প্রধান যুক্তি ছিল।
তিনি বলেন, ইরানের ওপর হামলার প্রভাব পুরো অঞ্চলজুড়ে অনুভূত হচ্ছে এবং আরব দেশগুলো অর্থনৈতিক মূল্য দিচ্ছে ও হতাহতের শিকার হচ্ছে।
তিনি সব পক্ষের প্রতি অবিলম্বে শত্রুতা বন্ধের রাশিয়ার আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করে বলেন, ‘নিঃশর্ত প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে আমাদের অবশ্যই বেসামরিক হতাহতের কারণ হয়— এমন সব কার্যক্রম বন্ধে সম্ভাব্য সবকিছু করতে হবে।’
তিনি ইরানে একটি স্কুলে বোমাবর্ষণের ঘটনাও উল্লেখ করেন।
ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে দক্ষিণ ইরানের একটি শহরে মেয়েদের একটি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে হামলার অভিযোগ তুলেছে, যেখানে তেহরানের দাবি অনুযায়ী ১৬০ জনেরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেন, মার্কিন বাহিনী ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো স্কুলে হামলা চালাবে না।












