ইরানে শুরু হওয়া সামরিক অভিযানের নাম দিয়েছে ইসরায়েল ‘লায়ন’স রোর’। দেশটির প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই নাম নির্ধারণ করেছেন বলে জানা গেছে। একই অভিযানে ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী ইসরায়েলি সামরিক বাহিনী (আইডিএফ) আনুষ্ঠানিকভাবে ‘শিল্ড অব যুদাহ’ (হিব্রুতে ‘মাজেন ইয়েহুদা’) নাম ব্যবহার করছে।
শনিবার ভোরে শুরু হওয়া এ অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রও অংশ নিয়েছে বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে। যৌথ হামলায় ইরানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করা হয়। ব্রিটিশ সংবাদ সংস্থা Reuters জানিয়েছে, তেহরানের মধ্য ও পূর্বাঞ্চলে একাধিক ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে। রাজধানীর কয়েকটি এলাকায় বিস্ফোরণের পর ধোঁয়া উঠতে দেখা গেছে।
খবরে আরও বলা হয়, ইরানি প্রেসিডেন্টের বাসভবন কমপ্লেক্সসহ ৩০টির বেশি স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি–কে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে বলে ইরানি সূত্র জানিয়েছে।
হামলার পর ইসরায়েলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল ক্যাটজ এক বিবৃতিতে জানান, সম্ভাব্য হুমকি মোকাবিলায় আগাম ও প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ হিসেবে এই অভিযান চালানো হয়েছে। তিনি বলেন, রাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং তা যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সমন্বয় করে পরিচালিত হয়েছে।
সম্ভাব্য পাল্টা হামলার আশঙ্কায় ইসরায়েলজুড়ে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় সাইরেন বাজানো হয়েছে এবং জনসাধারণকে সতর্ক থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শিক্ষা কার্যক্রম, জনসমাগম ও অপ্রয়োজনীয় অফিস কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হলেও জরুরি সেবা চালু থাকবে।
এ ঘটনায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। পরিস্থিতির পরবর্তী অগ্রগতি নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ বাড়ছে।











