ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় ভারতের মহারাষ্ট্র রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী ও এনসিপি নেতা অজিত পাওয়ারের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
অজিত পাওয়ারের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করে প্রধানমন্ত্রী মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করে লেখেন, ‘অজিত পাওয়ার ছিলেন সাধারণ মানুষের নেতা। নিচু স্তরে মানুষের সঙ্গে তার গভীর যোগাযোগ ছিল। মহারাষ্ট্রের মানুষের সেবায় তিনি সবসময় সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন। প্রশাসনিক বিষয়ে তার দক্ষতা এবং দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া মানুষের ক্ষমতায়নে তার আগ্রহ ছিল প্রশংসনীয়। তার অকাল প্রয়াণ অত্যন্ত মর্মান্তিক। তার পরিবার ও অসংখ্য অনুরাগীর প্রতি সমবেদনা। ওম শান্তি।’
বিমান দুর্ঘটনায় উপমুখ্যমন্ত্রী ছাড়াও মৃত্যু হয়েছে অজিত পাওয়ারের ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী ও ক্রু সহ আরো ৫ জনের। বুধবার (২৮ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় সকালে তাকে বহনকারী চার্টার্ড ফ্লাইট বিমানটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন অজিত পাওয়ার সহ মোট ৬ জন।
৬৬ বছর বয়সী অজিত পাওয়ার’কে স্থানীয় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সেখানে মৃত্যু হয় তার। জানা গেছে, এদিন বারামতী এলাকায় একটি রাজনৈতিক সভা ছিল অজিত পাওয়ারের। ফলে মুম্বাই থেকে সেখানেই যাচ্ছিলেন মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রীসহ অন্যরা।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) স্থানীয় সময় সকাল ৮ টা নাগাদ বিমানটি রওনা দেয়। প্রায় এক ঘণ্টা যাত্রা পথ শেষে বিমানটি রাজ্যটির বারামতী বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই বিমানবন্দরের কাছেই একটি ফাঁকা মাঠে হঠাৎ করে সেটি ভেঙে পড়ে। এরপরই তাতে আগুন ধরে যায় এবং ঘন কালো ধোঁয়া বের হতে দেখা যায়।
প্রাথমিক ভাবে জানা গেছে, হঠাৎ করেই যান্ত্রিক ত্রুটি দেখায় এদিন সকালে দুর্ঘটনার মুখে পড়ে ওই বিমানটি। দুর্ঘটনার পরে স্থানীয় বাসিন্দারা সেখানে ছুটে যান এবং উদ্ধার কাজে হাত লাগান। পরে ঘটনাস্থলে পৌঁছে ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স, দুর্যোগ মোকাবিলা টিম ও অন্য সরকারি কর্মকর্তারা।
এদিকে, দুর্ঘটনার খবর সামনে আসতেই অজিত পাওয়ারের বাড়িতে পৌঁছেছেন রাজ্যটির রাজনৈতিক নেতারা। তার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফ ফড়ণবিশসহ রাজনৈতিক নেতারা।












