চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর-৩ আসনের বিএনপি প্রার্থী হারুনুর রশীদের ছেলে রুবাইত ইবনে হারুন রাফির বিরুদ্ধে এক জামায়াত নেতাকে মারধর ও গলা চেপে ধরে শূন্যে ঝুলিয়ে রাখার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে রোববার (২৫ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৯টায় জেলা শহরের নতুনহাট মোড় এলাকায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। মিছিল শেষে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে জামায়াত নেতারা ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ার আল্টিমেটাম দেন।
জামায়াতের পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়, রোববার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে জেলা শহরের পৌর এলাকার মেনিপাড়া এলাকায় ১১ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াতের যৌথ প্রচার মিছিল চলাকালে বিপরীত দিক থেকে বিএনপি প্রার্থী হারুনুর রশীদের গাড়ি আসছিল। গাড়িটি নির্বিঘ্নে পার করে দেয়ার জন্য মিছিল নিয়ন্ত্রণ করছিলেন পৌরসভার ১১ নম্বর ওয়ার্ড জামায়াত সভাপতি আজিজুল হক নুর। এ সময় বিএনপি প্রার্থীর ছেলে রুবাইত ইবনে হারুন রাফি গাড়ি থেকে নেমে আজিজুল হক নুরের কলার ধরে মারধর করেন এবং তাকে প্রায় ২০ থেকে ২৫ সেকেন্ড গলা চেপে ধরে শূন্যে ঝুলিয়ে রাখেন বলে অভিযোগ করেন জামায়াত নেতারা। পরে জামায়াতের নেতা-কর্মীরা এগিয়ে এলে হারুনুর রশীদ ও তার ছেলে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে ওয়ার্ড সভাপতি আজিজুল হক নুর বলেন, ‘বাদ মাগরিব ১১ ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডে যৌথ মিছিল শেষে আমরা ফিরছিলাম। মেনিপাড়া এলাকায় ধানের শীষের প্রার্থী হারুনের গাড়ি সামনে পড়ে। প্রটোকল দিয়ে গাড়ি পার করে দিই। আমি মিছিলের একেবারে শেষে ছিলাম। তখন হারুনের ছেলে গাড়ি থেকে নেমে চারজন মিলে আমাকে ঘিরে ধরে গলা চেপে শূন্যে ঝুলিয়ে রাখে ২০ থেকে ২৫ সেকেন্ড। আমাদের লোকজন দ্রুত আমাকে উদ্ধার করে। পরে উত্তেজনা ছড়াতে চাইলে আমি নিজেই সবাইকে শান্ত করি। তারপরও তারা চিল্লাচিল্লি করে।
সংক্ষিপ্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন, চাঁপাইনবাবগঞ্জ পৌর জামায়াতের সেক্রেটারি তোহুরুল ইসলাম সোহেল, ১১ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর মাও.আব্দুল হাই ও ভিকটিম ১১ নং ওয়ার্ড সভাপতি আজিজুল হক।
এ বিষয়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর মডেল থানার (ওসি) নুরে আলম জানান, এ ঘটনায় এখনো থানায় কোনও লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।












