স্টাফ রিপোর্টার:
বাংলাদেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য তারা হুংকার দিচ্ছে। আমরা বলে দিতে চাই, আপনারা কাপুরুষের দল। আপনারা ছাত্রলীগ দিয়ে ও পেটোয়া পুলিশ দিয়ে আমাদের দমন করতে চেয়েছিলেন। রাষ্ট্রযন্ত্রের সকল শক্তি দিয়ে আমাদের দমন করার চেষ্টা করেছিলেন। আমরা ছাত্রসমাজ বলে দিয়েছিলাম কোন ফ্যাসিবাদকে এই বাংলার মাটিতে আমরা টিকতে দিবনা। যারা তাদের পূনর্বাসন করবেন তাদের বলে দিতে চাই, আমাদের রক্ত এখনও শুকায়নি, আমাদের শহীদ ভাইদের চেতনা আমরা ধারন করি। আপনাদের উচিত শিক্ষা দিতে ছাত্রশিবির রাজপথে শক্তিশালী অবস্থান গ্রহণ করবে।
বুধবার দুপুরে জুলাই গণহত্যার বিচারের দাবীতে কুমিল্লার পূবালী চত্ত্বরে ইসলামী ছাত্রশিবির কুমিল্লা মহানগর শাখা আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এইসব কথা বলেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় সাহিত্য সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সাবেক সভাপতি সিবগাতুল্লাহ।


তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশের মানুষের যখন মুক্তি অনিশ্চিত ছিল, তখনই ইসলামী ছাত্রশিবির ছাত্রজনতাকে সাথে নিয়ে জনতার মুক্তি নিশ্চিত করেছিল। দেশকে আবার অস্থিতিশীল করতে তারা অপচেষ্টা করছে। আপনারা কোন ষড়যন্ত্র নিয়ে আর সফল হবেন না কারণ বাংলাদেশের ছাত্রসমাজ চব্বিশে জেগে গিয়েছে।
সমাবেশে বক্তারা বলেন, পতিত স্বৈরাচার সরকারের দোষররা দেশকে অস্থিতিশীল করতে নানামুখী ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। এদেশের ছাত্রজনতা শহীদদের রক্ত ঝরা মাটিতে তাদের কোন ষড়যন্ত্র সফল হতে দেবে না। দেশকে নিয়ে যারা ছিনিমিনি খেলছে তাদের দাঁতভাঙ্গা জবাব দেয়া হবে।
এর আগে জুলাই গণহত্যার বিচারের দাবীতে বিক্ষোভ মিছিল করে ছাত্রশিবির। নগরীর টমছমব্রিজ থেকে শুরু হয়ে মিছিলটি কান্দিরপাড় গিয়ে শেষ হয়। পরে কান্দিরপাড় পূবালী চত্ত্বরে সমাবেশে জুলাই গণহত্যার নির্দেশদাতা হিসেবে শেখ হাসিনার বিচার দাবি করেন।
ছাত্রশিবির কুমিল্লা মহানগর সভাপতি নোমান হোসেন নয়নের সভাপতিত্বে সমাবেশে আরো উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় আন্তর্জাতিক সম্পাদক মু’তাসিম বিল্লাহ শাহেদী, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় সভাপতি হাফেজ ইউসুফ ইসলাহী। সমাবেশে সঞ্চালনা করেন ছাত্রশিবির কুমিল্লা মহানগর সেক্রেটারি হাছান আহমেদ।












