২০১৬ সালের ৬ এপ্রিল কুমিল্লার ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজের ইতিহাস বিভাগের ছাত্রী সোহাগী জাহান তনুকে ধর্ষণের পর হত্যার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় গ্রেফতার হওয়া একমাত্র আসামি অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য হাফিজুর রহমান হাইকোর্টের দেওয়া জামিনে মুক্তি পেয়েছেন।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) সন্ধ্যা ৭টা ৫ মিনিটে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে সকল আনুষ্ঠানিকতা শেষে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. শাহ আলম খান।
গত রোববার (২ আগস্ট) মামলার শুনানি শেষে হাইকোর্টের বিচারপতি জাকির আহমেদ ও বিচারপতি সাথীকা হোসাইনের বেঞ্চ হাফিজুর রহমানের জামিন মঞ্জুর করেন।
এর আগে, দীর্ঘ ১০ বছর পর চলতি বছরের ২২ এপ্রিল রাতে ঢাকার কেরানীগঞ্জের নিজ বাসভবন থেকে তনু ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় হাফিজুর রহমানকে গ্রেফতার করে মামলার তদন্তকারী সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
পরদিন তাকে কুমিল্লার আদালতে হাজির করা হলে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পিবিআই সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করে। পরে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোমিনুল হক তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
তদন্ত সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, গ্রেফতারের পর হাফিজুর রহমানের ডিএনএ নমুনা সংগ্রহ করে পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়। পরীক্ষা শেষে ডিএনএ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে।
কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারের সিনিয়র জেল সুপার মো. শাহ আলম খান সাংবাদিকদের বলেন, হাইকোর্টের জামিনের আদেশ পাওয়ার পর মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭টা ৫ মিনিটে প্রয়োজনীয় সকল আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করে তনু ধর্ষণ ও হত্যা মামলার আসামি অবসরপ্রাপ্ত সেনাসদস্য হাফিজুর রহমানকে কারাগার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।












