কুমিল্লারবিবার, ২৬শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

সাঙ্গু নদীতে নিখোঁজ পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার

প্রতিবেদক
Cumilla Press
জুলাই ২৬, ২০২৬ ৫:১১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

বান্দরবানে থানচি উপজেলায় সাঙ্গু নদীতে নিখোঁজের একদিন পর এক পর্যটকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

রোববার সকালে নদীর তিন্দুমখু এলাকায় তার মরদেহ ভেসে ওঠার পর উদ্ধার করা হয় বলে থানচি ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন লিডার পেয়ার মাহমুদ জানিয়েছেন।

মৃত ২৪ বছর বয়সী মো. জাওয়াদ উল ইসলাম কিশোরগঞ্জ জেলার তারাইল উপজেলার শিমুলহাটি গ্রামের বাসিন্দা।

এদিকে পর্যটক নিখোঁজের ঘটনায় শনিবার সন্ধ্যায় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (উন্নয়ন ও মানবসম্পদ ব্যবস্থাপক) এস এম হাসান স্বাক্ষরিত এক গণবিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, প্রতিকূল আবহাওয়া ও সম্ভাব্য ঝুঁকি বিবেচনায় পর্যটক ও জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে থানচি সদর থেকে তিন্দুমুখ পর্যন্ত নৌযান চলাচল ৩০ জুলাই পর্যন্ত বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রয়োজনীয় সতর্কতা অবলম্বনসহ জেলা প্রশাসনের নির্দেশনা পালনের জন্য অনুরোধ করা হয় বিজ্ঞপ্তিতে।

ফায়ার সার্ভিস কর্মকর্তা পেয়ার মাহমুদ বলেন, “রোববার সকাল ৭টা ৪০ মিনিটের দিকে ইউএনও তাদের ফোন করে জানান যে, তিন্দুমখ এলাকায় নিখোঁজ পর্যটকের মরদেহ ভেসে উঠছে। খবর পেয়ে চট্টগ্রাম থেকে আসা পাঁচজনের একটি ডুবুরি দল ও থানচি ফায়ার স্টেশন থেকে ছয়জনের একটা টিম নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।’

শুক্রবার বিকালে তিন্দু থেকে রেমাক্রি যাওয়ার সময় তিন্দুমুখ এলাকায় বন্ডপাথর অংশে নৌকা উল্টে নিখোঁজ হন নাহিয়ান। ১৩ জনের একটি পর্যটকের দল এক নৌকায় সাতজন, অন্য নৌকায় ছয়জন করে দুজন গাইড নিয়ে ওই দিন রেমাক্রি যাচ্ছিলেন তারা।

প্রবল স্রোতের কারনে পাথরে ধাক্কা লেগে ছয়জনের বহনকারী ইঞ্জিনচালিত একটি নৌকা তিন্দুমখে বন্ডপাথর অংশে উল্টে যায়। পাঁচজন পর্যটক সাঁতার কেটে তীরে উঠতে পারলেও জাওয়াদ নামের ওই পর্যটক নিখোঁজ হয়ে যান।

পরদিন ঘটনাস্থলে ব্যাপক তল্লাশি চালিয়েও তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। অবশেষে রোববার সকালে তার মরদেহ ভেসে ওঠার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের দল ঘটনাস্থলে গিয়ে তা উদ্ধার করে।

শুক্রবার নৌকা উল্টে যেখানে নিখোঁজ হয়েছিলেন, সেখানেই তার মরদেহ পাওয়া গেছে বলে থানচি ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন লিডার পেয়ার মাহমুদ জানিয়েছেন।

থানচি থানার ওসি কানন সরকার বলেন, “খবর পেয়ে বুলবুল আহমেদ নামে এক ব্যক্তি ঘটনাস্থলে আসেন। তিনি নিখোঁজ পর্যটকের মামা। আইনি প্রক্রিয়া শেষে তার হাতে মরদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।”