যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের দ্বিতীয় দফা আলোচনার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে এই সপ্তাহের শেষ দিকে। এ নিয়ে ইরানে একদিকে যেমন আশার সঞ্চার হয়েছে, অন্যদিকে রয়েছে অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগ।
ইরান জানিয়েছে, তারা ইসলামাবাদের সঙ্গেও নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে। গত তিন দিনে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি মধ্যপ্রাচ্য ও বিভিন্ন পশ্চিমা দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে আলোচনা করেছেন।
তবে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানিয়েছেন, এখনো বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ বিষয় অমীমাংসিত রয়ে গেছে। বিশেষ করে দুই থেকে তিনটি বড় জটিলতা সামনে রয়েছে। এর মধ্যে হরমুজ প্রণালির পরিস্থিতি, পুরো অঞ্চলে লেবাননসহ সম্ভাব্য যুদ্ধবিরতি এবং ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ অন্যতম।
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরা জানায়, ইরানের আরো বেশ কিছু উদ্বেগ রয়েছে। দেশটি নিরাপত্তার নিশ্চয়তা চায়, নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছে এবং জব্দ করা সম্পদ ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়টিও সামনে আনছে। এসব দাবির তালিকা আরো দীর্ঘ।
একই সময়ে, ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে তেহরানের মধ্যে অবিশ্বাস রয়ে গেছে।
এর আগে ১১ এপ্রিল সন্ধ্যায় ইসলামাবাদে একটি পাঁচতারা হোটেলে আলোচনায় বসেন যুক্তরাষ্ট্র-ইরানের প্রতিনিধিরা। প্রথম দফার আলোচনা চলে রাত প্রায় ১০টা পর্যন্ত।












