পুনর্লিখিত সংবাদ (জাতীয় পত্রিকার ধাঁচে):
স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষায় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর ‘স্বাধীনতা পুরস্কার ২০২৬’ প্রদান করা হয়েছে। তার পক্ষে পুরস্কার গ্রহণ করেন নাতনি জাইমা রহমান।
বৃহস্পতিবার (১৬ এপ্রিল) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাইমা রহমানের হাতে এই সম্মাননা তুলে দেন। বিকেল ৪টায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়।
এ বছর মোট ১৫ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি ও পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কারে ভূষিত করা হয়েছে। পুরস্কারপ্রাপ্তদের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, সাহিত্য, সংস্কৃতি, সংগীত, ক্রীড়া, সমাজসেবা, জনপ্রশাসন ও গবেষণা–প্রশিক্ষণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা ব্যক্তিত্বরা রয়েছেন।
এছাড়া বিভিন্ন খাতে অবদানের জন্য পাঁচটি প্রতিষ্ঠানকেও সম্মাননা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে শিক্ষা, চিকিৎসা, পল্লী উন্নয়ন ও সমাজসেবামূলক প্রতিষ্ঠান।
স্বাধীনতা পুরস্কার দেশের সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় সম্মাননা হিসেবে বিবেচিত। ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতিবছর স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে এই পুরস্কার প্রদান করা হচ্ছে।
পুরস্কারপ্রাপ্তদের প্রত্যেককে নগদ অর্থ, স্বর্ণপদক, পদকের প্রতিরূপ এবং সম্মাননাপত্র প্রদান করা হয়।












