কুমিল্লাসোমবার, ২৭শে এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

বোলিংয়ে ভালো করলেও ব্যাটারদের ব্যর্থতায় বিগ ব্যাশ থেকে বিদায় রিশাদের

প্রতিবেদক
Cumilla Press
জানুয়ারি ২৩, ২০২৬ ৬:৪১ অপরাহ্ণ
Link Copied!

দুর্দান্ত বোলিংয়ে সিডনি সিক্সার্সের রানের গতি কিছুটা মন্থর করে দিয়েছিলেন রিশাদ হোসেন। তাতে অনেক চেষ্টা করেও সংগ্রহটা দুইশ ছাড়াতে পারেনি সিডনি সিক্সার্স। কিন্তু ব্যাটারদের ব্যর্থতায় তার সবই পণ্ড হয়েছে।

চ্যালেঞ্জারে হেরে বিদায় নিলো রিশাদরা।

বিগ ব্যাশে শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) ফাইনাল নিশ্চিতের ম্যাচে সিডনির কাছে ৫৭ রানে হেরে আসর থেকে বিদায় নিশ্চিত করেছে হোবার্ট হারিকেন্স। চ্যালেঞ্জার (দ্বিতীয় কোলিফায়ার) ম্যাচে ১৯৯ রানের লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে ১৭.২ ওভারে সব কটি উইকেট হারিয়ে ১৪১ রানে থামে রিশাদদের দল।

৪ ওভার বল করে ৩৩ রান খরচায় ২ উইকেট নেয়ার পাশাপাশি ব্যাট হাতে এক ছক্কায় ৮ বলে ১১ রান করেন টাইগার লেগ স্পিনার। সব মিলিয়ে এবারের আসরে ১১ ম্যাচ খেলে ১৫ উইকেট শিকার করেছেন তিনি।

এদিন দেড়শর উপর স্ট্রাইকরেটে ব্যাট করে ফিফটি হাঁকানো স্টিভেন স্মিথের পর, দুইশর বেশি স্ট্রাইকরেটে ব্যাট করা মইসেস হেনরিকসকে আউট করে সিডনির রানের গতি থামিয়েছিলেন রিশাদ। তাও আবার পাওয়ার সার্জের সময়। যদিও ১৩তম ওভারটিতে ১৫ রান দিয়েছিলেন টাইগার স্পিনার, তবে রেখেছেন সবচেয়ে কার্যকরী অবদান।

এরপর ১৭তম ওভারেও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেন রিশাদ। আম্পায়ার ভুল না করলে এ ওভারেও উইকেটের দেখা পেতে পারতেন তিনি। তার বলে কট বিহাইন্ড হয়েছিলেন জ্যাক এডওয়ার্ডস, আবেদনও করেছিলেন উইকেটরক্ষক ম্যাথিউ ওয়েড। তবে আম্পায়ার কোনো সাড়া দেননি। ওভারে রিশাদ দেন মাত্র ৪ রান। শুরুর দিকে হোবার্টের বোলাররা বেশ খরুচে থাকলেও নিজের প্রথম দুই ওভারে রিশাদ দিয়েছিলেন মাত্র ১৪ রান।  টস হেরে প্রথমে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ পাওয়া সিডনি এদিন নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৯৮ রান করতে সক্ষম হয়। স্মিথ ৪৩ বলে ৯ চার ও ১ ছক্কায় দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬৫ রান করেন। এছাড়া জোয়েল ডেভিস ১২ বলে ২৭ আর লাচলান শ ১৩ বলে ২১ রান করেছিলেন।

রিশাদ ছাড়াও হোবার্টের হয়ে এদিন উইকেটের দেখা পেয়েছিলেন রাইলি মেরেডিথ ও বিলি স্টানলেক। তবে দুজনেই বেশ খরুচে ছিলেন। মেরেডিথ ৫২ রান খরচায় ৩ আর স্টানলেক ৪৬ রান খরচায় ২ উইকেট নেন। উইকেট না পেলেও মিতব্যয়ী ছিলেন নিখিল চৌধুরী। ৪ ওভার বল করে মাত্র ১৮ রান দেন তিনি।

তবে বাঁচা-মরার লড়াইয়ে ব্যাট হাতে বাজেভাবে ব্যর্থ হয়েছে রিশাদদের দল। বেন ম্যাকডরমেট ছাড়া কেউই উল্লেখযোগ্য ইনিংস খেলতে পারেননি। ২৬ বলে ৩ চার ও ১ ছক্কায় তিনি সর্বোচ্চ ৪০ রানের ব্যক্তিগত ইনিংস খেলেছিলেন। ২৭ বলে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২৪ রান করেছিলেন বউ ওয়েবস্টার। রানের গতি যেমন মন্থর ছিল, তেমনই দ্রুত উইকেট বিলিয়ে আগেভাগেই ম্যাচ থেকে ছিটকে যায় হোবার্ট। ৭ উইকেট পতনের পর মাঝে নেমেছিলেন রিশাদ। তবে ততক্ষণে কিছুই করার ছিল না। ১৭তম ওভারের প্রথম বলে ছক্কা হাঁকিয়ে, দ্বিতীয় বলে তিনি ক্যাচ তুলে দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে থেমে যায় হোবার্টের ইনিংসও। সিডনিকে জেতানোর পথে বল হাতে ২টি করে উইকেট নিয়েছেন মিচেল স্টার্ক, শন অ্যাবট ও জোয়েল ডেভিস। ২৬ রান খরচায় সর্বোচ্চ ৩ উইকেট নিয়েছেন বেন ডারশুইস।