কুমিল্লারবিবার, ৭ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
আজকের সর্বশেষ সবখবর

ফের সেই ১০ জনকে পুশইনের চেষ্টা বিএসএফের

প্রতিবেদক
Cumilla Press
জুন ৭, ২০২৬ ৪:০৪ অপরাহ্ণ
Link Copied!

পঞ্চগড় সদর উপজেলার হাড়িভাসা ইউনিয়নের দক্ষিণ প্রধানপাড়া সীমান্তে নারী ও শিশুসহ ১০ জন ব্যক্তি ৫৮ ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে শূন্যরেখার ওপারে ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থান করছেন। বাংলাদেশে পুশইন করার চেষ্টাকে কেন্দ্র করে সৃষ্ট এ পরিস্থিতির এখনো কোনো সমাধান হয়নি। এর মধ্যেই রোববার (৭ জুন) দুপুর ১২টার দিকে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) আবারও তাদের বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টা করলে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) তা প্রতিহত করে।

জানা গেছে, বিএসএফ ভারতের অভ্যন্তরে অবস্থানরত ওই ১০ জনকে জোরপূর্বক শূন্যরেখার দিকে নিয়ে এসে বাংলাদেশ সীমান্তে প্রবেশ করানোর চেষ্টা করে। তবে বিজিবি সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে থেকে তাদের বাংলাদেশে প্রবেশে বাধা দেন। এ সময় সীমান্ত এলাকায় উভয় বাহিনীর সদস্যদের মধ্যে উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। বর্তমানে সীমান্তে বিজিবি ও বিএসএফ উভয় পক্ষই অতিরিক্ত সদস্য মোতায়েন করেছে। পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ ও যেকোনো ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে উভয় বাহিনী সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নারী, পুরুষ ও শিশুসহ ১০ জন ব্যক্তি সীমান্তসংলগ্ন একটি কৃষিজমিতে অবস্থান করছেন। তাদের মাথার ওপর কোনো ছাউনি নেই। দীর্ঘ সময় ধরে রোদ, বৃষ্টি ও প্রতিকূল আবহাওয়ার মধ্যে অবস্থান করায় তারা মানবেতর জীবনযাপন করছেন। বিশেষ করে শিশু ও নারীরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগে পড়েছেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই ১০ জনের মধ্যে পাঁচজন পুরুষ, দুইজন নারী ও তিনজন শিশু রয়েছেন। শুক্রবার ভোর থেকে তারা সীমান্তসংলগ্ন একটি কৃষিজমিতে অবস্থান করছেন। জমিটিতে পানি জমে রয়েছে। শুক্রবার রাতে মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যেও তারা একই স্থানে ছিলেন। তাদের জন্য কোনো ধরনের অস্থায়ী আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা হয়নি।

এর আগে বিএসএফ ওই ১০ জনকে বাংলাদেশে পুশইন করার চেষ্টা করলে বিজিবি তা প্রতিহত করে। এরপর থেকে তারা শূন্যরেখার ওপারে ভারতের অভ্যন্তরেই অবস্থান করছেন। এ ঘটনায় কোম্পানি ও ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে একাধিক পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও এখন পর্যন্ত কোনো সমাধান হয়নি। সর্বশেষ শনিবার দুপুরে ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে প্রায় ২০ মিনিটের একটি পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি।

নীলফামারী ব্যাটালিয়নের (৫৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, ৯৩ বিএসএফের কমান্ডারের সঙ্গে বৈঠকে তিনি ওই ব্যক্তিদের ফেরত নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন। তবে বিএসএফ তা প্রত্যাখ্যান করেছে। আন্তর্জাতিক আইন ও নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের মাধ্যমে ফেরত পাঠাতে হবে, পুশইন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

এর আগে বিএসএফ ওই ১০ জনকে বাংলাদেশে পুশইন করার চেষ্টা করলে বিজিবি তা প্রতিহত করে। এরপর থেকে তারা শূন্যরেখার ওপারে ভারতের অভ্যন্তরেই অবস্থান করছেন। এ ঘটনায় কোম্পানি ও ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে একাধিক পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও এখন পর্যন্ত কোনো সমাধান হয়নি। সর্বশেষ শনিবার দুপুরে ব্যাটালিয়ন পর্যায়ে প্রায় ২০ মিনিটের একটি পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হলেও কোনো সিদ্ধান্তে পৌঁছানো যায়নি।

নীলফামারী ব্যাটালিয়নের (৫৬ বিজিবি) অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. সিরাজুল ইসলাম জানান, ৯৩ বিএসএফের কমান্ডারের সঙ্গে বৈঠকে তিনি ওই ব্যক্তিদের ফেরত নেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন। তবে বিএসএফ তা প্রত্যাখ্যান করেছে। আন্তর্জাতিক আইন ও নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করে ইমিগ্রেশন চেকপোস্টের মাধ্যমে ফেরত পাঠাতে হবে, পুশইন কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।