অবৈধভাবে সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের দায়ে অভিযুক্ত কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান জাফর আহমদকে সাত বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তাকে আট কোটি টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বুধবার (২২ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে চট্টগ্রাম বিভাগীয় বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. মিজানুর রহমান এই রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার সময় আসামি জাফর আহমদ কাঠগড়ায় উপস্থিত ছিলেন। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।
দণ্ডপ্রাপ্ত জাফর আহমদ টেকনাফ উপজেলা আওয়ামী লীগের (বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) সাবেক সহ-সভাপতি এবং সাবেক সংসদ সদস্য আবদুর রহমান বদির অনুসারী হিসেবে পরিচিত। তিনি ২০১৪ থেকে ২০১৯ সালের মে মাস পর্যন্ত টেকনাফ উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ১ এপ্রিল দুদক চট্টগ্রামের তৎকালীন উপসহকারী পরিচালক রিয়াজ উদ্দিন বাদী হয়ে জাফরের বিরুদ্ধে নগরের ডবলমুরিং থানায় মামলা করেন। ২০২৪ সালের ১৫ মে মামলার অভিযোগপত্র আদালতে দেয়া হয়।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, জাফর আহমদ জনপ্রতিনিধির ক্ষমতার অপব্যবহার করে ৪ কোটি ৯০ লাখ ৬৯ হাজার টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের মালিক হয়েছেন। তার ৬ কোটি ৭৪ লাখ ৫৩ হাজার টাকার মোট সম্পদের তথ্য পায় দুদক। এর মধ্যে পারিবারিক ও অন্যান্য খরচ বাবদ ব্যয় করেন ৫৪ লাখ ৩৬ হাজার টাকা। দুদক মোট গ্রহণযোগ্য আয় পায় ২ কোটি ৪৭ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ পাওয়া যায় ৪ কোটি ৯০ লাখ ৬৯ হাজার টাকার। এ সম্পদের মধ্যে টেকনাফে জমি ও ব্যাংক হিসাবের টাকা রয়েছে জাফরের।
চলতি বছরের ৫ মে আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের মাধ্যমে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। মোট ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ রায় প্রদান করেন।
দুদক সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের ১ এপ্রিল দুদক চট্টগ্রামের তৎকালীন উপসহকারী পরিচালক রিয়াজ উদ্দিন বাদী হয়ে জাফরের বিরুদ্ধে নগরের ডবলমুরিং থানায় মামলা করেন। ২০২৪ সালের ১৫ মে মামলার অভিযোগপত্র আদালতে দেয়া হয়।
অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়, জাফর আহমদ জনপ্রতিনিধির ক্ষমতার অপব্যবহার করে ৪ কোটি ৯০ লাখ ৬৯ হাজার টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের মালিক হয়েছেন। তার ৬ কোটি ৭৪ লাখ ৫৩ হাজার টাকার মোট সম্পদের তথ্য পায় দুদক। এর মধ্যে পারিবারিক ও অন্যান্য খরচ বাবদ ব্যয় করেন ৫৪ লাখ ৩৬ হাজার টাকা। দুদক মোট গ্রহণযোগ্য আয় পায় ২ কোটি ৪৭ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ পাওয়া যায় ৪ কোটি ৯০ লাখ ৬৯ হাজার টাকার। এ সম্পদের মধ্যে টেকনাফে জমি ও ব্যাংক হিসাবের টাকা রয়েছে জাফরের।
চলতি বছরের ৫ মে আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠনের মাধ্যমে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। মোট ১৮ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত এ রায় প্রদান করেন।
রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) মোকাররম হোসাইন জানান, জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও তথ্য গোপনের অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় আদালত তাকে এই দণ্ড ও জরিমানা অনাদায়ে শাস্তির আদেশ দিয়েছেন।











